শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন

স্থান সংকুলান গোরস্থানগুলোতে

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২০

 

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যু, বাড়ছে সংক্রমণ। সরকার যে সংখ্যা ঘোষণা করছে তার অন্তত দ্বিগুণ মানুষ মারা যাচ্ছে উপসর্গ নিয়ে। এতে করে রাজধানী ঢাকায় পারিবারিক কবরস্থান না থাকার কারণে চাপ পড়ছে সরকারি গোরস্থানগুলোর ওপর। সেই চাপ এমনই যে, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ মৃতদেহ আসছে কবরস্থ করার জন্য। দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ বলছে, আর স্থান সংকুলান করা যাচ্ছে না করবস্থানে।

রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থান পরিচালনার দায়িত্বে আছেন মো. হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, করোনার প্রাদুর্ভার শুরু হওয়ার পর অস্বাভাবিক হারে মৃতদেহ আসছে। আগে গড়ে প্রতি ঘণ্টায় হয়তো একটা মৃতদেহ কবরস্থ করা হতো, এখন প্রতি মুহূর্তেই কোনো না কোনো মৃতদেহ কবরস্থ করা হচ্ছে। কয়েকবছর আগে আজিমপুর কবরস্থানের সংস্কার করে এর সীমানা বাড়ানো হয়েছিল, কিন্তু তারপরও এখন আর জায়গা ফাঁকা নেই।

হিসেব বের করে তিনি জানান, এই কবরস্থানে ২০১৮ সালের মে মাসে মৃতদেহ দাফন করা হয়েছিল ৭০৫টি, ২০১৯ সালের মে মাসে কবরস্থ করা হয়েছিল ৭৭৭টি মৃতদেহ। অথচ চলতি বছরের মে মাসে দাফন করা হয়েছে ১০৩৪ মৃতদেহ। ২০১৮ সালের জুন মাসে দাফন করা হয়েছিল ৬৬৫ মৃতদেহ, ২০১৯ সালের জুনে ৭০৭টি। অথচ চলতি জুন মাসের প্রথম ১৫ দিনে দাফন করা হয়েছে ৫১৫টি মৃতদেহ।

দুই সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় রাজধানীতে পরিচারিলত হচ্ছে ৯টি কবরস্থান ও ২টি শ্মশান। করোনাকালে সবগুলোর চিত্র ওই একই। নতুন করে মৃতদেহ কবরস্থ করতে হিমসিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। বাধ্য হয়ে অনেক ক্ষেত্রে পুরাতন কবর ভেঙে নতুন করে কবরস্থ করা হচ্ছে।

রাজধানীর পোস্তগোলা শ্মশানের হিসাবটা দেখা যাক। ২০১৮ সালের জুন মাসে এখানে সৎকার করা হয়েছিল ৫২টি মৃতদেহ, ২০১৯ সালের জুন মাসে এই সংখ্যা ছিল ৭৬। অথচ চলতি বছরের জুন মাসের প্রথম ১৫ দিনে এই সংখ্যা পৌঁছে গেছে ৮৫-তে। শ্মশানটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা একজন বলেন, যে হারে মৃতদেহ আসছে, তাতে বিকল্প ভাবতে হবে এখনই।

 

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD