বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

করোনা টেস্ট বাড়ানো ও দ্রুত রিপোর্ট নিশ্চিত করতে হবে

করোনা ভাইরাস শনাক্তে নমুনা পরীক্ষা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। একইসঙ্গে হাসপাতালে চিকিৎসার ভোগান্তি যাতে না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি টেস্ট রিপোর্ট দ্রুত নিশ্চিত করারও আহ্বান জানিয়েছেন।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটি আয়োজিত চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের সংসদ ভবন এলাকায় তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালেকর উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা টেস্ট আরও বাড়াতে হবে। রিপোর্ট দেওয়ার বিষয়টি যাতে বিলম্ব না ঘটে, টেস্টের পরপরই যাতে রিপোর্ট পাওয়া যায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। একজন ডাক্তার তার বাবার চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরে চিকিৎসা দিতে পারেননি। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। একজন ডাক্তার হয়ে বাবা-মাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে পারবেন না, পথে মারা যাবেন, এর চেয়ে বেদনাদায়ক আর কী হতে পারে। আমি স্বাস্থ্যের ডিজিকে অনুরোধ করব, এই যে হাসপাতালে হাসপাতালে চিকিৎসার উপেক্ষা, এটা যাতে দূর হয়, সে ব্যবস্থা নেবেন। যারা প্রবাসে চাকরি করেন, চাকরি আছে, চাকরি ফেরত পাওয়ার জন্য ফিরে যেতে টেস্ট করাতে গিয়ে সময় মতো রিপোর্ট পাওয়া যায় না। ফেরত আসতে হয়। এটা দেখবেন।

ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, অনুপ্রবেশকারীরা দল ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা সরকার ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কিছু করেন না। সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে, সুবিধাবাদী অনুপ্রবেশকারীরা দলের ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। বসন্তের কোকিলরা, সুবিধাবাদীরা দুঃসময়ে দলে থাকে না। ত্যাগী পরীক্ষিত নেতাকর্মীরাই দুঃসময়ে দলকে ধরে রাখেন। তাই আমি সবাইকে বলব, দলের কোনো স্তরে, কোনো পর্যায়ে কোনো প্রকার অনুপ্রবেশকারী, সুবিধাভোগীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবেন না। দেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, আমাদের করোনা ভাইরাস চিকিৎসা সামগ্রীর সীমাবদ্ধতা ছিল। বিশ্বের কেউ বলতে পারবে না তাদের চিকিৎসা সামগ্রীর সীমাবদ্ধতা ছিল না। আমরা এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। তবুও মাঝে মধ্যে দুঃসংবাদ আসে।

লাইটনিউজ/এসআই