বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

টিকা প্রয়োগে প্রাধান্য দিতে হবে শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের

স্টাফ রিপোর্টার : চীন, ভারত বা রাশিয়া বলে কথা নয়, যত দ্রুত সম্ভব কোভিড-19 এর ভ্যাকসিন পাওয়াটাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। এর পাশাপাশি, দাম নির্ধারণ, সুষম বণ্টন, ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগও জরুরি। আর প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দিতে হবে শিক্ষার্থী ও অর্থনীতি সচল রাখা শ্রমিকদের। দেশে চীনা কোম্পানি ‘সিনোভ্যাকে’র ভ্যাকসিন ট্রায়াল নিয়ে এমন মত দিলেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্বে এ পর্যন্ত কোভিড মহামারিতে প্রাণ হারিয়েছেন আট লাখের বেশি মানুষ। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় আড়াই কোটি। এমন বাস্তবতায় করোনা প্রতিরোধে প্রায় ২০০টি টিকা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। যার প্রতিযোগিতায় এগিয়ে আছে রাশিয়া, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্ত্যরাজ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশ।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবস্থা বিবেচনায় চীনা কোম্পানি ‘সিনোভ্যাক’ আগ্রহ দেখালে দেশে ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমতি দেয় সরকার। টিকাটি সফল হলে দ্রুত এর দাম ঠিক করার পাশাপাশি সুষমবণ্টন ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিতে হবে।

করোনাবিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, করোনা ভ্যাকসিন কীভাবে জেলায় উপজেলায় দেওয়া হবে তার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। মূল টিকা পেতে ছয় মাস সময় লাগতে পারে। আর প্রথম অগ্রাধিকার পাওয়া উচিৎ দেশের শিক্ষার্থীদের এবং এরপরে দেশের শ্রমিকদের।

দেশের সাতটি হাসপাতালের চার হাজার ২’শ স্বাস্থ্যকর্মীর পর ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করে তার ফলাফল পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে এমনটি বললেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. সবুর আহমেদ। তিনি বলেন, এই এন্টিবডি কত দ্রুত কাজ করছে, কী রকম কাজ করছে এবং এই এন্টিবডি ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সক্ষম কিনা তা দেখতে হবে। আমি ধরে নিচ্ছি, চার হাজার দুইশ’ জনই ভ্যাকসিন পেয়েছেন। তাদের আমার জানা মতে এক বছর ফলোআপে রাখা হবে।

অন্যদিকে কৌশলগত বা ভূরাজনীতির সঙ্গে ‘টিকা কূটনীতি’ জড়িত থাকলেও এর মানবিক দিক বিবেচনায় বাংলাদেশের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক (জাবি) অধ্যাপক সাহাব এনাম খান।

তিনি বলেন, চীন বা ভারতকে কেন্দ্র করে ভ্যাকসিন আনার ব্যবস্থা নিচ্ছে তা না। বাংলাদেশ স্বাভাবিকভাবে অন্যান্য দেশের সাথে যোগাযোগ রাখছে। আমরা কত দ্রুত এই ভ্যাকসিনগুলো পেতে পারি তা দেখতে হবে।

লাইট নিউজ