বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

ডিএনসিসির রাজস্ব আদায় বাড়াতে চিরুনি অভিযান শুরু

রাজস্ব আদায় বাড়াতে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। যেসব বাড়ি মালিক হোল্ডিং ট্যাক্স দিচ্ছেন না তাদের করের আওতায় আনা এবং ট্রেড লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে ডিএনসিসি। মঙ্গলবার ডিএনসিসির অঞ্চল-২ এবং অঞ্চল-৫ এর ১৭টি ওয়ার্ডে অভিযান চালানো হয়। সকালে মোহাম্মদপুরের চাঁন মিয়া হাউজিং এলাকা থেকে এ অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি। অভিযানে মেয়র আতিকুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানের সময় বিভিন্ন বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে হোল্ডিং ট্যাক্স এবং ট্রেড লাইসেন্সের খোঁজ নেন ডিএনসিসির কর্মীরা। না থাকলে তা করার অনুরোধ করেন তারা। এ সময় ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, এ অর্থবছরে ডিএনসিসি ৪০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য স্থির করেছে। গত অর্থবছর কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি ডিএনসিসি। যাদের কর দেয়ার সক্ষমতা আছে এমন অনেকেই তা দিচ্ছেন না। অনেক প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স নেই। সবাই কর দিলে ৪০০ কোটি টাকা আসবেই।

আমরা মনে করি সবাই ট্যাক্স দিলে আরও ১০০ কোটি টাকা বেশি আসবে। আমরা কর বাড়চ্ছি না। কিন্তু যারা কর দিচ্ছেন না তাদের জন্য আমাদের এই চিরুনি অভিযান। আতিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, অনেক বাড়ির মালিক বছরের পর বছর কর দিচ্ছেন না। বড় বড় প্রতিষ্ঠানও ট্রেড লাইসেন্স করছে না।

তিনি বলেন, তারা কোনো তোয়াক্কা করছে না। বড় বড় ব্যাংক করেছে, তারা বলছে ব্যাংকের লাইসেন্স আছে। কিন্তু শহরের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাতে যে পৌরকর দিতে হয়, ট্রেড লাইসেন্স লাগে সেটা তারা ভুলে গেছেন। আমার মনে হয় কর না দেয়ার এই যে অনীহা। অনেকেই বলেন ট্যাক্স দিব না আমার জোর আছে। কিন্তু এই জোর কোনো মাসলম্যান বা কোনো তদবির এসব কিছু আমি শুনব না। ১৯৬ দশমিক ২২ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের ডিএনসিসি এলাকা ১০টি অঞ্চল এবং ৫৪টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। ডিএনসিসি এলাকায় দুই লাখ ৪০ হাজারের বেশি বাড়ি রয়েছে।

লাইটনিউজ/এসআই