বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

সরিয়ে ফেলা হচ্ছে কানাডার প্রথম প্রধানমন্ত্রীর ভাস্কর্য

কানাডায় পুলিশের অর্থ বরাদ্দ হ্রাসের দাবিতে আয়োজিত এক বিক্ষোভ শেষে দেশটির সাবেক প্রথম প্রধানমন্ত্রী স্যার জন ম্যাকডোনাল্ডের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলেন বিক্ষোভকারীরা।

শনিবার শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ শেষে মনট্রিলে এ ঘটনা ঘটে। এখন আনুষ্ঠানিকভাবে সেটিকে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ভাস্কর্যের ওপর দাঁড়িয়ে রশি লাগিয়ে টেনে তা মাটিতে ফেলে দেন। গত কয়েক মাস ধরে আমেরিকা ও কানাডায় পুলিশি নির্যাতনের বিপক্ষে জনরোষ বাড়তে থাকে।

পুলিশের গুলিতে মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পরই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পুলিশের নির্যাতনের প্রতিবাদ ও বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়।

বিক্ষুব্ধরা বলেন, ম্যাকডোনাল্ড কানাডার প্রথম প্রধানমন্ত্রী হলেও তিনি ছিলেন প্রচণ্ডভাবে বর্ণবাদী! তিনি কানাডার আদিবাসীদের দেখতে পারতেন না।

কানাডার আদিবাসী সন্তানদের জোর করে ধরে এনে বিতর্কিত আবাসিক স্কুলে ভর্তি করানোর পেছনেও তার ভূমিকা ছিল জোরালো।

ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষুব্ধরা ভাস্কর্যটি ঘিরে অবস্থান করছেন। উচ্চস্বরে কথাও বলছেন তারা। একপর্যায়ে এটির সঙ্গে রশি বেঁধে টান দেয়া হয়। এর পরই ভাস্কর্যটি নিচে পড়ে যায়।

শরীর থেকে খুলে পড়ে যায় মাথাও। প্রথম প্রধানমন্ত্রীর ভাস্কর্য টেনে নিচে নামানোর ঘটনাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন কুইবেকের সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, ঐতিহ্যের অংশ ধ্বংস করা কোনো সমস্যার সমাধান নয়।

উল্লেখ্য, স্যার জন ম্যাকডোনাল্ড ১৮৬৭ সালে কানাডার প্রথম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন।

লাইটনিউজ