সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইইউ কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনারের সাক্ষাৎ সারা দেশে দুই দিন এলপি গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা পুরো ভারত হবে যন্তর মন্তর, বিক্ষোভস্থল বাতিলের পর হুঁশিয়ারি সিজেপির ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ ২১ জানুয়ারি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হবে: বিমানমন্ত্রী নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৬৪ নেপালে আকস্মিক বন্যায় ভেসে গেল বাড়িঘর ও সেতু, নিখোঁজ ৫

করোনামুক্ত হলেন ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২০

একের পর এক আলোচিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম করোনামুক্ত হয়েছেন। বুধবার তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তার স্ত্রীও করোনামুক্ত হয়েছেন বলে জানান তিনি।

সারোয়ার আলম বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর অশেষ রহমত ও আপনাদের সকলের দোয়ার বদৌলতে কোভিড-১৯ থেকে মুক্তি পেলাম। কৃতজ্ঞতা আপনাদের সকলের প্রতি।’

এর আগে গত ৭ জুন সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন সারোয়ার আলম।

উল্লেখ্য, দেশে করোনা সংক্রমণের পর থেকে সারোয়ার আলম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত, নকল মাস্ক, গ্লাভসের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন। এছাড়া রমজানে বেশ কয়েকটি ভেজালবিরোধী অভিযানও পরিচালনা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার কারণে নিয়মিত আলোচনায় আসেন ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। তবে র‍্যাবের আলোচিত অভিযানের পাশাপাশি একবার হাইকোর্টের তলবের কারণে আলোচনায় আসেন এ ম্যাজিস্ট্রেট।

তার ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা কেড়ে নিতে দায়ের করা রিটে আবারও আলোচিত হন তিনি। ভ্রাম্যমাণ আদালতে এক ব্যক্তিকে দেয়া দণ্ডাদেশের চারমাস পার হলেও আদেশের প্রত্যয়িত অনুলিপি না পাওয়ার প্রেক্ষাপটে করা এক রিটে ১ ডিসেম্বর তাকে হাইকোর্টে তলব করা হয়।

ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম প্রথম আলোচনায় আসেন ২০১৪ সালে। ফার্মগেটে ওভার ব্রিজ বাদ দিয়ে যারা সড়কে রাস্তা পারাপার হচ্ছিলেন তাদের নামমাত্র জরিমানা করে সচেতন করেছিলেন তিনি।

তার আলোচিত অভিযানের মধ্যে অন্যতম ছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ফকিরাপুল ক্যাসিনোতে অভিযান। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ফকিরাপুলের ইয়ংমেনস ক্লাব, ওয়ান্ডারার্স ক্লাব, মুক্তিযোদ্ধা সংসদে অভিযান চালান তিনি। এ সময় ১৪২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন। উদ্ধার করা হয় ক্যাসিনো থেকে উপার্জিত অবৈধ ২৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা।

গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর নিকেতনে যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের অফিসে অভিযানে যায় র‍্যাব। সেখানেও ছিলেন সারোয়ার আলম। অভিযানে তার কার্যালয়ে তল্লাশি করে অবৈধভাবে উপার্জিত নগদ এক কোটি ৮০ লাখ, ২০০ কোটি টাকার এফডিআর, বিদেশি ডলার, মদ ও অস্ত্র উদ্ধার করেন তিনি।

ঢাকায় যখন কিশোর অপরাধী ও গ্যাংয়ের দ্বারা হত্যাকাণ্ড, চুরি-ছিনতাই বেড়ে যায় তখন তাদের শনাক্তে অভিযান চালান সারোয়ার আলম। ৩১ জুলাই গ্যাং, ছিনতাই, মাদকসহ নানাবিধ অপরাধে রাজধানীর শ্যামলী, শিশুমেলা, কলেজ গেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৯ কিশোরকে আটক করে ছয় মাসের জন্য কিশোর সংশোধনী কেন্দ্রে পাঠান তিনি।

গেল বছরের জুলাইয়ে সারাদেশ যখন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত তখন হাসপাতালগুলো ডেঙ্গু ও সিবিসি পরীক্ষায় মর্জিমতো ফি আদায় শুরু হয়। সংবেদনশীল এ বিষয়ে অভিযান শুরু করেন সারোয়ার। ৩১ জুলাই ডেঙ্গু পরীক্ষায় সরকার নির্ধারিত ফির চেয়ে বেশি নেয়া এবং টেস্ট না করে প্যাথলজিক্যল রিপোর্ট দেয়ায় পল্টন এবং ফকিরাপুল এলাকায় চারটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঁচজনকে জেল, ১৮ লাখ টাকা জরিমানা করে দুই প্রতিষ্ঠান সিলগালা করেন।

লাইট নিউজ

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD