মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:০১ অপরাহ্ন

ক্রেতা নেই ‘সুলতানের’

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১

ক্রেতা নেই নালিতাবাড়ীর ৪২ মণ ওজনের ষাঁড় সুলতানের। এতে সুলতানকে নিয়ে বিপাকে পড়েছেন মালিক রুহল আমিন। প্রাণিসম্পদের অনলাইন গবাদিপশুর হাটেও ক্রেতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

দ্রুত ন্যায্য মূল্যে সুলতানকে বিক্রির অভিমত ব্যক্ত করেছেন রুহল আমিন। সুলতানের দাম হাঁকা হয়েছে ২০ লাখ টাকা।

জানা গেছে, নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের রাণীগাঁও গ্রামের পশু চিকিৎসক রুহল আমিন দীর্ঘদিন একটি এনজিওতে চাকরি করতেন। সেখানে চাকরিরত অবস্থায় ব্র্যাকের মাধ্যমে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পশু পালনের ওপর দুই দফায় চার মাসের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এরপর চাকরি ছেড়ে দিয়ে গ্রামে গ্রামে পশু চিকিৎসার পাশাপাশি নিজে একটি ফ্রিজিয়ান জাতের গাভী কিনেন। সে গাভীর পাঁচটা বাছুর বিক্রি করার পর জন্ম হয় সুলতানের। কানাডিয়ান সিমেনের এই সুলতান তিন বছর ছয় মাসে এক বিশাল দৈত্যে পরিণত হয়।

কিন্তু স্থানীয়ভাবে সুলতানের ক্রেতা নেই। প্রাণিসম্পদের অনলাইন পশুর হাটে প্রচার করেও সুলতানের ক্রেতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এতে সুলতানকে নিয়ে বিপাকে পড়েছেন মালিক। দ্রুত ন্যায্য মূল্যে সুলতানকে বিক্রির আশা করছেন মালিক রুহুল আমিন।

রুহল আমিন জানান, গত সাড়ে তিন বছর ধরে সুলতানকে অতি আদর যত্নে লালন পালন করেছেন। ১০ ফুট লম্বা ও ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতার সুলতানের ওজন ১ হাজার ৬৭৬ কেজি। প্রায় ৪২ মণ। কিন্তু সুলতানকে বিক্রির জন্য স্থানীয়ভাবে কোনো ক্রেতা পাচ্ছি না। ক্রেতা পেলে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করে দেব। একে লালন পালন করা খুবই কষ্টসাধ্য।

তিনি আরও বলেন, সুলতানের দাম হেঁকেছি ২০ লাখ টাকা। এটাই সম্ভবত দেশের সবচেয়ে বেশি ওজনের ষাঁড়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মতিউর রহমান বলেন, সুলতানকে বিক্রির জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অনলাইনে দিয়েছি। কিন্তু ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। এত বড় গরু হাঁটে নিয়ে বিক্রি করাও সম্ভব না। বিক্রি করতে না পারলে সুলতানকে নিয়ে খুবই সমস্যায় পড়বেন মালিক রুহল আমিন।

তিনি আরও বলেন, সুলতানকে দেশীয় পদ্ধতিতে লালন পালন করা হয়েছে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD