শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:২৪ অপরাহ্ন

বিদ্যুতের পাইকারি দাম ১৯.৯২ শতাংশ বাড়াল বিইআরসি

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০২২

বিদ্যুতের পাইকারি দাম ১৯.৯২শতাংশ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ইউনিট প্রতি ৫.১৭ টাকা বাড়িয়ে ৬.২০ টাকা করা হয়েছে। পাইকারি দর বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করার ১ মাস ৮ দিনের মাথায় দাম বাড়িয়ে দিলো বিইআরসি।

সোমবার (২১ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বিদ্যুতের নতুন দর ঘোষণা করেন বিইআরসি চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল। অংশ নেন কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আবু ফারুক, মকবুল ই-ইলাহী চৌধুরী, বজলুর রহমান, কামরুজ্জামান, বিইআরসির সচিব ব্যারিস্টার মোঃ খলিলুর রহমান খান। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সর্বশেষ বিদ্যুতের পাইকারি দাম সমন্বয় করে ৫.১৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।

বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, বিপিডিবির প্রস্তাবে কিছু তথ্য ঘাটতি থাকায় প্রস্তাব নাকচ করা হয়েছিল। পরে বিপিডিবি রিভিউ প্রস্তাব করে। তাদের সেই প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে নতুন আদেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন দর ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

নতুন দরের প্রভাব সঙ্গে সঙ্গে পড়ছে না ভোক্তাদের উপর। তবে পাইকারি দাম বৃদ্ধিকে কোম্পানিগুলো ঘুটি হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। সাধারণত সরবরাহকৃত বিদ্যুতের পরিমাণকে বিবেচনায় নিয়ে বিতরণ কোম্পানির রাজস্ব নির্ধারণ করা হয়। সরবরাহকৃত বিদ্যুতের দামের সঙ্গে বিতরণ কোম্পানির পরিচালন ব্যয় যোগ-বিয়োগ করে খুচরা দাম নির্ধারণ করা হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে দেওয়ায় বিতরণ কোম্পানিগুলো রাজস্ব কমে গেছে। পাইকারি দাম বৃদ্ধি পেলে সেই সুযোগে কম উৎপাদনকে সামনে এনে বেশি করে দাম বৃদ্ধির চাইবে। যা কৌশলগতভাবে উপেক্ষা করার সুযোগ থাকবে না। যা ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে বলে বিতরণ কোম্পানি সূত্র জানিয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) পাইকারি দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের উপর গত ১৮ মে গণশুনানি গ্রহণ করে বিইআরসি। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) বর্তমান দর ইউনিট প্রতি ৫.১৭ টাকা থেকে ৬৬ শতাংশ বাড়িয়ে ৮.৫৮ টাকা করার আবেদন করে। বিপিডিবির পাইকারি দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবে বলা হয়, চাহিদা মতো গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় তেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গিয়ে খরচ বেড়ে গেছে। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে বিদ্যুতে গড় উৎপাদন খরচ ছিল ২.১৩ টাকা, ২০২০-২১ অর্থ বছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.১৬ টাকায়। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, কয়লার মুসক বৃদ্ধির কারণে ২০২২ সালে ইউনিট প্রতি উৎপাদন খরচ দাঁড়াবে ৪.২৪ টাকায়। পাইকারি দাম না বাড়লে ২০২২ সালে ৩০ হাজার ২৫১ কোটি ৮০ লাখ টাকা লোকসান হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD