শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০২৪, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোটাবিরোধী আন্দোলন শুক্রবার নিহতদের স্মরণে সারা দেশে দোয়া ও মোনাজাত বাংলাদেশে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে প্রত্যাশা ভারতের ‘পুলিশ মারলে দশ হাজার, ছাত্রলীগ মারলে পাঁচ হাজার ঘোষণা হয়েছিল’ এইচএসসি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে বিটিআরসির নির্দেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন শোয়েব মালিক নারায়ণগঞ্জে বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বে নাশকতা চালানো হয়েছে : পুলিশ গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোনো স্থান নেই : মেয়র তাপস ২৫ হাজার কোটি টাকা ধার দিল বাংলাদেশ ব্যাংক নাশকতাকারীরা চিহ্নিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মিয়ানমার যদি আক্রমণে আসে আমরা কি বসে বসে আঙুল চুষবো?

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪

মিয়ানমার ইস্যুতে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমরা এখনো কোনো আক্রমণ দেখিনি।

তিনি বলেন, তাদের অভ্যন্তরীণ ৫৪টি গোষ্ঠী আছে। ওদের অভ্যন্তরীণ অনেক সমস্যা। আমরা সীমান্তে আছি, গুলি এসে লাগতে পারে, গুলির আওয়াজ আসতে পারে। তাদের নৃতাত্ত্বিক বিদ্রোহীরা আছে। তাদের থেকেই এসব ঘটনা ঘটছে। সেটার জন্য কেন মিয়ানমার সরকারকে দায় দেবো? যতদিন সম্ভব শেষ পর্যন্ত আমরা আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যেতে চেষ্টা করবো।

বুধবার (১৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

কাদের আরও বলেন, যদি সত্যিই আক্রমণে আসে, তখন কী আমরা বসে থাকবো, আমরা বসে বসে আঙুল চুষবো?

সেন্টমার্টিন ইস্যুতে সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিরোধীদলের একটা ভাষা আছে, সরকারি দলের সিদ্ধান্ত তারা নতজানু আখ্যায়িত করে। কিন্তু কীভাবে নতজানু, সেটা একটু ব্যাখ্যা করে দিক না। সেন্টমার্টিনে যে গুলিটা এসেছে, সেটা মিয়ানমার সরকার করেনি। এটা আরাকান আর্মি নামের যে বিদ্রোহীরা আছে, তাদের গুলি।

তিনি বলেন, সেখানে যে জাহাজের কথা বলা হয়, সে জাহাজ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ২৫ আগস্ট যখন রোহিঙ্গারা স্রোতের মতো বাংলাদেশে ঢুকেছিল, তখনও অনেকে উসকানি দিয়েছিল। আমাদের আকাশসীমা কখনো-কখনো অতিক্রম করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন ওয়াশিংটনে। তখন সমস্ত বাহিনী প্রধানদের তিনি ফোন করে নির্দেশ দিতেন যে কোনো অবস্থাতেই আমরা যেন যুদ্ধে না যাই। মিয়ানমার উসকানি দিলে আমরা তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করবো। একটা সমাধান বের করবো। যুদ্ধে জড়াবো না।

‘এখন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যদি যুদ্ধে জড়াতে চান, তাহলে উসকানির ফাঁদে আমরা পড়তে পারি। আমরা সরকারে আছি, আমাদের দায়িত্ব আছে, কর্তব্য আছে। সার্বভৌমত্ব চলে গেলে আমাদেরই ব্যথা লাগবে বেশি। কারণ এ জাতির মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধিকার লড়াইয়ে আমরা ওতপ্রোতভাবে জড়িত।’

তিনি বলেন, ফখরুল তখন কী করেছেন, কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন, তা জানি না। এসব কথা বলে লাভ নেই। সার্বভৌমত্ব ঠিক আছে। সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হলে, আলাপ-আলোচনার সময় পেরিয়ে যদি যায়, যদি সত্যিই তারা আক্রমণে আসে, তখন কী আমরা বসে থাকবো, আমরা বসে বসে আঙুল চুষবো? আমাদেরও পাল্টা জবাব দিতে হবে।’

আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD