মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালচারাল ট্যুরিজম উন্নয়নে দুই মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত পারস্য উপসাগর থেকে এক ফোঁটাও তেল রপ্তানি হবে না: ইরান ছায়া মন্ত্রিসভার প্রশিক্ষণ চলছে, শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌদির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সরকারের ১৮০ দিনে ১৩ খাতে ব্যর্থতার ফিরিস্তি তুলে ধরল এনসিপি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরের কাছে জাহাজে হামলা দ.কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমতি দিল সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে সরকার উপসাগর থেকে ‘এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেবে না’ ইরান দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন করে পরিপত্র জারি

মিশর-আমিরাতের তীব্র সমালোচনায় এরদোয়ান

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
Turkey's President Recep Tayyip Erdogan addresses to his ruling party's provincial leaders in Ankara, Turkey, Friday, Nov. 17, 2017. Erdogan says Turkey withdrew 40 soldiers from a NATO military exercise in Norway, after the country's founding leader Mustafa Kemal Ataturk and Erdogan himself were allegedly depicted as "enemies." (Presidential Press Service, pool photo via AP)

 

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, লিবিয়ায় অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য কাজ করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশর। তবে দেশটিতে স্থায়ী শান্তি আনয়নে তুরস্ক তাদের দায়িত্ব পালন করে যাবে। লিবিয়ার মানুষ সামরিক আগ্রাসন একাই মোকাবেলা করবে না।

লিবিয়ায় ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল একোর্ড (জিএনএ) ও খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ) লড়াই করে আসছে। জাতিসংঘ সমর্থিত জিএনএ-কে সমর্থন দিচ্ছে তুরস্ক। আর বিদ্রোহী এলএনএ-কে সমর্থন দিচ্ছে আমিরাত ও মিশর। উভয় পক্ষই একে অপরকে নানাভাবে দোষারোপ করে আসছে।

শুক্রবার এক ভাষণে এরদোয়ান আমিরাত ও মিশরের কড়া সমালচনা করে বলেন, লিবিয়ায় মিশর এলএনএ-কে সমর্থন দিচ্ছে। সেখানে তাদের বিভিন্ন পদক্ষেপ অবৈধ। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত চোরাচালানের মাধ্যমে হাফতারকে অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে সাহায্য করে চলেছে। যা অগ্রহণযোগ্য। আমরা লিবিয়ায় একটি বৈধ সরকার নিয়ে কাজ করছি, যারা সামরিক অভ্যুত্থানের চেষ্টাকারীদের ঠেকিয়ে দেবে। আমিরাত ও মিশরের কারণে এই কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা জিএনএ’র সঙ্গে নতুন একটি চুক্তি করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। যা আগের শিরাত চুক্তির আওতায় করা হবে। তবে এতে নতুন কিছু বিষয় যুক্ত হতে যাচ্ছে।

শিরাত চুক্তির কারণেই জিএনএ-কে সামরিক সমর্থন দিতে সক্ষম হয়েছে তুরস্ক। মার্চে এই চুক্তি কার্যকরের পর থেকেই লিবিয়ায় চিত্রপট পাল্টে যেতে শুরু করে। একের পর এক অভিযান চালায় জিএনএ। এলএনএ’র দখলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ শহর ও এলাকা নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়। যার কারণে এলএনএ ও এর সমর্থনকারী দেশগুলো তুরস্কের ওপর ক্ষুব্ধ।

 

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD