সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও পদ্মা ব্যাংকের সাবেক এমডি নাফিজ সরাফতের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের দুর্নীতি খুঁজতে আলাদা দল মাঠে নামানো হয়েছে। দুদক জানিয়েছে, পুলিশে নিয়োগ-বদলি সংক্রান্ত ব্যাপক দুর্নীতিতে আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে কাজ করেছেন ৫ জন সরকারি কর্মকর্তা। এছাড়া এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে আবারও অনুসন্ধান শুরু করেছে সংস্থাটি।
সিটিজেন টিভির শেয়ার জোর করে লিখিয়ে নেওয়ার ঘটনায় আলোচনায় আসেন পদ্মা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাফিজ সরাফত। তবে দুদকের অভিযোগ, দেশের সব অর্থপাচারের নেপথ্যেই তিনি। গত ১৫ বছরে মানিলন্ডারিংয়ের অন্যতম কারিগর হয়ে ওঠেন নাফিজ।
নাফিজ সরাফতের পাশাপাশি, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং ৫ জন সরকারি কর্মকর্তার বিষয়েও অনুসন্ধান করতে, ৫ সদস্যের টিম গঠন করেছে দুদক।
সংস্থাটির সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন বলেন, ‘জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং তার সাথে কাজ করা কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি অভিযোগ কমিশনে এসেছে।’
দুদক জানায়, পুলিশের নিয়োগ, বদলি, পদায়নসহ সব ক্ষেত্রেই ঘুষ লেনদেন চলতো। এর পেছনে, আসাদুজ্জামান খানের নেতৃত্বে একটি কাজ করতো।
খোরশেদা ইয়াসমীন বলেন, ‘দুদক এই অভিযোগটি যাচাই বাছাই করেছে এবং প্রাথমিক কিছু সত্যতা পাওয়া গেছে বলে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি বিষয়টি সার্বিকভাবে অনুসন্ধান করে দেখবে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ওপর প্রাপ্ত তথ্যে ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হবে।’
এছাড়া হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে আবারো অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।