শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: প্রধানমন্ত্রী হাম উপসর্গে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবে না: রাশেদ খাঁন স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যার মূল আসামি চট্টগ্রাম থেকে আটক বাবার ফোনে লাইভ লোকেশন পাঠিয়েছিল তাজমিন, সেই লোকেশনে গিয়ে পান লাশ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে সহায়তার প্রস্তাব পুতিনের বিশ্ব ডিম দিবস আজ, চাহিদার চেয়ে উৎপাদন কম পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা সোমবার

ঢাকার বাতাসের মানে ফের অবনতি

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২০

গত কয়েকদিন বৃষ্টির ফলে ঢাকার বাতাসের মানে উল্লেখযোগ্য উন্নতি পরিলক্ষিত হলেও ‘বৃষ্টি স্বল্পতায়’ বুধবার সকালে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় দ্বিতীয় খারাপ অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী। খবর ইউএনবির।

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) সকাল ১০টা ২৬ মিনিটে জনবহুল এই শহরের স্কোর ছিল ১৫৪। যা বাতাসের মানকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ নির্দেশ করে। চীনের চেংদু এবং পাকিস্তানের করাচি যথাক্রমে ১৫৬ ও ১৫৪ স্কোর নিয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় প্রথম ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

একিউআই সূচকে ৫০ এর নিচে স্কোর থাকার অর্থ হলো বাতাসের মান ভালো। এ সূচকে ৫১ থেকে ১০০ স্কোরের মধ্যে থাকলে বাতাসের মান গ্রহণযোগ্য বলে ধরে নেয়া হয়। তবে একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ১৫০ হলে নগরবাসী বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

এছাড়া একিউআই মান ২০১ থেকে ৩০০ হলে স্বাস্থ্য সতর্কতাসহ তা জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। একিউআই স্কোর ৩০১ থেকে ৫০০ বা তারও বেশি হলে বাতাসের মান ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা হয়। এসময় স্বাস্থ্য সতর্কতাসহ প্রত্যেক নগরবাসীর জন্য জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের জন্য কোন ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা জানায়।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ এবং ওজোন (ও৩)।

গ্রীষ্মমণ্ডলীয় মৌসুমি জলবায়ুর কারণে বাংলাদেশে ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে বৃষ্টিপাত, উচ্চ তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতায় বৈচিত্র্য দেখা যায়।

জনবহুল ঢাকা দীর্ঘদিন ধরেই দূষিত বাতাস নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। মূলত নির্মাণ কাজের নিয়ন্ত্রণহীন ধুলা, যানবাহনের ধোঁয়া, ইটভাটা প্রভৃতি কারণে রাজধানীতে দূষণের মাত্রা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

তবে মধ্য জুন থেকে বৃষ্টিপাত শুরুর পর বাতাস পরিষ্কার হতে আরম্ভ করে। আর জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বর্ষার মৌসুমে বাতাসের মান মোটামুটি গ্রহণযোগ্য থাকে।

বিশ্বব্যাংক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদনে ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে এ শহরের চারপাশে অবস্থিত ইটভাটাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD