দেশের ‘কঠিন সময়ে’ সারা দেশের মানুষ বুকভরা প্রত্যাশা নিয়ে তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ঢাকার বনানীর হোটেল শেরাটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজ একটি কঠিন সময়ে আমাদের নেতা তারেক রহমান বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন। সারা দেশের মানুষ বুকভরা প্রত্যাশা নিয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে। তিনি ইতোমধ্যে দূর থেকেই জাতির সামনে যে বার্তা দিয়েছেন, তাতে গোটা জাতি নতুন করে আশাবাদী হয়েছে। মানুষের এই আশাবাদ- এবার সত্যিকার অর্থেই একটি উদারপন্থি ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দেশে প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বক্তব্যের শুরুতে বিএনপি মহাসচিব দলের চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পাশাপাশি তিনি একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০২৪ সালের ছাত্র গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণ করে বলেন, ২০২৪ সালে যেসব ছেলে-মেয়ে ও শিশুরা একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অভূতপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন, তাদের আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি।
সকাল ১১টায় রাজধানীর হোটেল শেরাটনের বলরুমে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত সম্পাদক ও সাংবাদিকদের আসনে গিয়ে তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রধান নির্বাহীসহ সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।দেশবাসী তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে আছে : মির্জা ফখরুল
হোটেল শেরাটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : কালবেলা
দেশের ‘কঠিন সময়ে’ সারা দেশের মানুষ বুকভরা প্রত্যাশা নিয়ে তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ঢাকার বনানীর হোটেল শেরাটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজ একটি কঠিন সময়ে আমাদের নেতা তারেক রহমান বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন। সারা দেশের মানুষ বুকভরা প্রত্যাশা নিয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে। তিনি ইতোমধ্যে দূর থেকেই জাতির সামনে যে বার্তা দিয়েছেন, তাতে গোটা জাতি নতুন করে আশাবাদী হয়েছে। মানুষের এই আশাবাদ- এবার সত্যিকার অর্থেই একটি উদারপন্থি ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দেশে প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বক্তব্যের শুরুতে বিএনপি মহাসচিব দলের চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পাশাপাশি তিনি একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০২৪ সালের ছাত্র গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণ করে বলেন, ২০২৪ সালে যেসব ছেলে-মেয়ে ও শিশুরা একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অভূতপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন, তাদের আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি।
সকাল ১১টায় রাজধানীর হোটেল শেরাটনের বলরুমে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত সম্পাদক ও সাংবাদিকদের আসনে গিয়ে তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রধান নির্বাহীসহ সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।