অর্থনৈতিক রিপোর্টার : সবজি বাজারে দেশীয় কাঁচা মরিচ উধাও। মরিচের দাম বেড়েছে তিনগুন। যা কিনা কেজি প্রতি ৪০-৮০ টাকা বেড়ে ১৬০-২০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে ভারত থেকে দেশে কাঁচা মরিচ আসছে প্রতি কেজি ৫০ রুপিতে অর্থাৎ দেশীয় মুদ্রায় ৬৫ টাকা। সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে কেজিতে ২২ টাকা শুল্ককর। কেজি প্রতি ফড়িয়াদের পেছনে খরচ হচ্ছে ৩ টাকা। বেনাপোল, সোনামসজিদ—এসব স্থলবন্দর থেকে ঢাকার কারওয়ান বাজারে আসতে প্রতি কেজিতে খরচ পড়ছে আরও ১০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি ভারতীয় কাঁচা মরিচের দাম পড়ছে ২০০-২৫০ টাকা।
কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আবুল কালাম বলেন,‘বাজারে এখন দেশি কাঁচা মরিচ নেই। বৃষ্টির কারণে বাজারের এই অবস্থা। বাজারে যে মরিচ আছে সেগুলো ভারতীয় এলসি জাতের।’
এদিকে দাম বেড়েছে মুরগির, বয়লার ও লেয়ার কেজি প্রতি ১০ টাকা বেড়েছে, সোনালিকা কেজি প্রতি ২৫ টাকা বেড়েছে।
সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে সবজির দাম। কমেছে চালের দাম। বেশির ভাগ সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। এসব বাজারে প্রতিকেজি (গোল) বেগুন ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৫০ থেকে ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ইন্ডিয়ান টমেটো ১০০ টাকা, সিম ১২০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা। চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, লতি ৮০ টাকা ও কাকরোল ৮০ থেকেন ৬০ টাকা। শসার দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৬০ টাকায়।
মুদি দোকানগুলোতে চিনির প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকা। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৮ থেকে ৮০ টাকায়। বেড়েছে কাজুবাদাম, পেস্তা বাদামের দাম।
মাছ বাজারে কমেছে ইলিশ মাছের দাম। ১০০০ টাকার ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকায়।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারের দেয়া শাটডাউনে প্রতিনিয়তই ওঠানামা করছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।