সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
জাতিসংঘের কঠোর সতর্কবার্তা

প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমিত রোগ বাড়বে!

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট : বিভিন্ন প্রাণী বাহক হয়ে মানবদেহে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ রক্ষা না করতে পারলে এ ধরনের রোগ বাড়তে থাকবে বলে ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়। খবর বিবিসি।

প্রাণী থেকে যেসব রোগ মানুষের শরীরে প্রবেশ করে বিজ্ঞানের পরিভাষায় সেগুলোকে বলা হয় জুনটিক রোগ। কোভিড ১৯-এর মতো রোগের বৃদ্ধির জন্য জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ দল প্রাণী জাত প্রোটিন বা আমিষের তীব্র চাহিদা, পরিবেশের কথা বিবেচনা না করে করা কৃষিকাজ এবং জলবায়ুর ধ্বংস করাকে দায়ী করেছেন।

বিশেষজ্ঞ দলের ভাষ্য, এ ধরনের রোগের ব্যাপারে খুব একটা নজর দেওয়া হয় না; কিন্তু এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে সারা বিশ্বে প্রতি বছর ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এসব রোগের কারণে আর্থিক ক্ষতিও কম নয়। পরিসংখ্যান বলছেন কোভিড-১৯ রোগের কারণে আগামী দুই বছরে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে ৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ইবোলা, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস এবং সার্স- এসব জুনটিক রোগ। এগুলো শুরু হয়েছে প্রাণী দেহে, পরে সেখান থেকে ছড়িয়েছে মানবদেহে। কিন্তু প্রাণী থেকে এসব রোগ মানুষের মধ্যে আপনা-আপনি আসে না। জাতিসংঘের পরিবেশ ও গবাদিপশু সংক্রান্ত গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এসব ভাইরাস মানবদেহে আসে প্রাকৃতিক পরিবেশে হস্তক্ষেপের কারণে।

এসব হস্তক্ষেপের মধ্যে রয়েছে জমির ক্ষতিসাধন, বন্যপ্রাণীর ব্যবহার, প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ এবং জলবায়ুর পরিবর্তন। জাতিসংঘের উপমহাসচিব এবং পরিবেশ কর্মসূচির প্রধান নির্বাহী ইঙ্গার এন্ডারসেন বলেন, মানুষ ও প্রাণীর সম্পর্কে পরিবর্তন ঘটছে। গত শতাব্দীতে আমরা অন্তত ছয় বার নভেল করোনাভাইরাসের প্রকোপ দেখেছি। কোভিড ১৯-এর আগে গত দুই দশকে জুনটিক রোগের কারণে ১০০ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের রোগে প্রত্যেক বছর নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। তার কথায়ন গবাদিপশুর ওপর অতিরিক্ত মাত্রায় নির্ভরশীলতা এবং বন্যপ্রাণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণেই এসব ঘটছে।

লাইট নিউজ

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD