মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ ইস্যুতে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত দেশের ১৩ জেলায় রাতের মধ্যে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা সংসদ সদস্যদের প্রতি স্পিকারের কড়া নির্দেশনা এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী প্রাথমিকভাবে ইরানের ৫০ বিলিয়ন ডলার নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে যুক্তরাষ্ট্র ৫০-১৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির স্বপ্ন দেখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৬৮৬ জামায়াত সমর্থিত ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ আনোয়ার ইব্রাহিম ও স্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলন আদেশ বাতিল হয়নি

বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যা : মূল আসামি শ্যুটার মিশু গ্রেপ্তার

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬

যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যার মূল আসামি ত্রিদিব চক্রবর্তী মিশুকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) গভীর রাতে শহরের বেজপাড়া মন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মিশুকে আদালতে সোপর্দ করলে জবানবন্দি দেয় সে। বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনের জামাইয়ের পরিকল্পনা ও তার দেওয়া অস্ত্রেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

হত্যায় জড়িত শ্যুটার ত্রিদিব চক্রবর্তী মিশুকের জবানবন্দিতে বেরিয়ে এসেছে এ তথ্য।
জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ত্রিদিব চক্রবর্তী মিশু বেজপাড়া চিরুনি কল এলাকার পুরোহিত মিহির চক্রবর্তী ত্রিনাথের ছেলে।

যশোর ডিবির ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যার পর ঘটনাস্থলসহ আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রথমে ত্রিদিবকে শনাক্ত করা হয়।

পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ তাকে আদালতে সোপর্দ করলে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।
আদালত ও পুলিশ সূত্র জানায়, জবানবন্দিতে ত্রিদিব হত্যার দায় স্বীকারের পাশাপাশি জানায়, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন বিএনপি নেতা আলমগীরের ‘মেয়ে জামাই’ পরশ ও প্রতিবেশী সাগর।

সে জবানবন্দিতে আরো জানায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যার আগে প্রিন্স নামে একজন তাকে মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যায়।

এরপর পরশ, সাগর, অমিসহ বেশ কয়েক জনের সঙ্গে দেখা করায়। এরপর কথাবার্তার একপর্যায়ে পরশ তার শ্বশুর আলমগীরকে হত্যার জন্য অস্ত্র ও টাকার যোগান দেয়। এরপর সেখান থেকে অমির মোটরসাইকেলে বেরিয়ে আলমগীরের পিছু নেয় এবং সে নিজে গুলি করে হত্যাকাণ্ড ঘটায়। ওই ঘটনার পর থেকে বাড়িতেই ছিল সে।
প্রসঙ্গত, গত ৩ জানুয়ারি রাতে নিজ এলাকায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শামীমা বাদী হয়ে পরশ ও সাগরসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই ডিবি পুলিশ মূল শুটারকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD