বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

পেঁয়াজের দাম আরও কমেছে

ভারত রফতানি বন্ধের আদেশ তুলে নেয়ায় দেশের বাজারে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমেছে ২০ টাকা। এর মাধ্যমে টানা দুই সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমল ৪০ টাকা।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, ফকিরাপুল, রামপুরা, শান্তিনগর, মালিবাগ হাজীপাড়া, খিলগাঁও এলাকার বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০-৯০ টাকা। দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১০০-১২০ টাকা। আমদানি করা ভালো মানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৯০-১০০ টাকা। আর দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১১০-১২০ টাকা।

বাজার ভেদে মেহেরপুরের বড় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০-৮০ টাকা। আর আমদানি করা বড় পেঁয়াজের কেজি আগের সপ্তাহের মতো ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পেঁয়াজের দাম কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রসুনের দাম। আমদানি করা চীনা রসুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকা। আর দেশি রসুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা।

দাম কমার বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী নোয়াব আলী বলেন, ভারত রফতানি বন্ধের আদেশ তুলে নেয়ার সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমেছে। এছাড়া বাজারে এখন মেহেরপুরের পেঁয়াজ চলে এসেছে। আমাদের ধারণা সামনে পেঁয়াজের দাম আরও কমবে।

এদিকে বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, লাউ, করলা, টমেটো, শসা, শিম, শালগম, মুলা, গাজর, ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন বাজারে ভরপুর রয়েছে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো সবজির দাম কমেনি।

গত কয়েক সপ্তাহের মতো এখনো বাজারে সব থেকে দামি সবজির তালিকায় রয়েছে করলা। গত সপ্তাহের মতো করলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকা। মাঝারি আকারের লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা পিস। বরবটির কেজি ৮০-১০০ টাকা।

এছাড়া শসা ২০-৩০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০, পাকা টমেটো ৩০-৪০, শিম ৩০-৪০, ফুলকপি-বাঁধাকপি পিস ৩০-৩৫, গাজর ২০-৩০, শালগম ২৫-৩০, মুলা ৩০-৩৫, বেগুন ৪০-৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর কাঁচামরিচের পোয়া (২৫০ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকা।

রামপুরার ব্যবসায়ী জাফর বলেন, এখন সবজির দাম তুলনামূলক কম। এর থেকে সবজির দাম কমার খুব একটা সম্ভাবনা নেই। বরং সামনে সবজির দাম বাড়ার সম্ভাবনা বেশি।

এদিকে মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০-৫০০ টাকা। তেলাপিয়া ১৩০-১৭০, শিং ৩০০-৪৫০, শোল মাছ ৪০০-৭৫০, পাবদা ৪০০-৫০০, টেংরা ৪৫০-৬০০, নলা ১৮০-২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২৫-১৩০ টাকা কেজি। পাকিস্তানি কক বিক্রি হচ্ছে ২৩০-২৪০ টাকা। লাল লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা কেজি। গরুর মাংস ৫৫০-৫৭০ টাকা এবং খাসির মাংস ৭০০-৮৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

লাইটনিউজ/এসআই