বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

মালয়েশিয়ানদের ঘরের বাইরে না যাওয়ার অনুরোধ

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকানো ও ভাইরাসটি প্রতিরোধের জন্য মালয়েশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ (এনএসসি) দেশটির সকল নাগরিককে ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে। কেউ যেন ঘরের বাইরে না যায় সেই অনুরোধও করেছে তারা। দেশটিতে এখন দুই সপ্তাহের শাটডাউন চলছে।

মালয় মেইলের অনলাইন প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ দেশটির সকল নাগরিককে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। অথবা একে অপরের সঙ্গে কমপক্ষে ১ মিটার (সোয়া তিন ফুটের বেশি) দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে—এতে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি কমবে।

জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সর্বশেষ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মানুষের চলাচলের ওপর যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে তা যথাযথভাবে কার্যকরের জন্য শুধু মৌলিক চাহিদা পূরণ ছাড়া সবাইকে ঘরের মধ্যে থাকার উপদেশ দেওয়া হচ্ছে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার মালয়েশিয়ায় করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রথম দুজনের মৃত্যু হয়।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে গত ১৬ মার্চ দেশব্যাপী ‘লকডাউন’ ঘোষণা করে মালয়েশিয়া সরকার। ওইদিন স্থানীয় সময় রাত ১০টায় জাতির উদ্দেশে এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তান মুহিদ্দীন ইয়াসিন এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘১৮ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত এ লকডাউন কার্যকর বলবত থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ‘লকডাউন’ চলাকালীন ১৩ দিন সকল প্রকার সুপারশপ, পাবলিক প্লেস, চেইন শপ, মার্কেট, শপিং কমপ্লেক্স, মসজিদের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধের আওতায় থাকবে। এছাড়া দেশটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।’

মঙ্গলবার মালয়েশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বিবৃতিতে জানানো হয়, মালয়েশিয়ার সারাওয়াক জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। করোনায় মৃত অপরজন পেতালিং তাবলীগ জামাতে অংশ নেয়া ৩৪ বছর বয়সী এক ব্যক্তি।

মালয়েশিয়ায় হঠাৎ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার কারণেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দেশটিতে আজ বুধবার পর্যন্ত ৬৭৩ জন প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তের মধ্যে দুজনের মৃত্যু ছাড়াও সুস্থ হয়েছেন ৪৯ জন। বাকিরা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।