বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

সামাজিক যোগাযোগে দূরত্ব বজায় রাখুন, জনসমাগম এড়িয়ে চলুন

সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমের শিরোনামে প্রাধান্য বিস্তার করছে করোনাভাইরাস। এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। ছোঁয়াছে এই ভাইরাসের প্রভাব ক্রীড়াঙ্গনেও পড়েছে।

করোনাভাইরাসের কারণেই স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গন। ক্রিকেট, ফুটবলসহ বিভিন্ন ইভেন্টের অনেক খেলা ইতিমধ্যে স্থগিত হয়েছে। বন্ধ হয়েছে বেশকিছু টুর্নামেন্ট এবং দ্বিপাক্ষিক সিরিজও।

ছোঁয়াছে এই ভাইরাসে বিশ্বে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। যে কারণে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে অনেকে স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের তারকা ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম।

তিনি বলেন, বিশ্বের অধিকাংশ দেশ এখন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় দুই লাখেরও বেশি মানুষ। বিভিন্ন দেশের মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন দেশের ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক সব খেলাধুলা। অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত চিহ্নিত হয়েছেন, একজনের মৃত্যুও হয়েছে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দুটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ- এমনটি উল্লেখ করে মুশফিক জানান, একটি হল ব্যক্তিগত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, ঘন ঘন সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া আর আরেকটি সামাজিক যোগাযোগে দূরত্ব বজায় রাখা অর্থাৎ খুব জরুরি না হলে ভিড় বা জনসমাগম এড়িয়ে চলা।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বাংলাদেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে প্রবাসীদের মাধ্যমে। তাই বিদেশফেরত প্রবাসীদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার আহ্বান জানিয়ে মুশফিক বলেন, বিদেশ থেকে আসা প্রবাসী ভাইবোনদের প্রতি একটি অনুরোধ। আপনারা নিজের পরিবার এবং দেশের সবার সুস্থতার জন্য কমপক্ষে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকুন। মনে রাখবেন, আপনি শুধু আপনার জন্য নয়, আপনার সন্তান, পরিবার, আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী এবং দেশের সকল মানুষের জন্য নিজেকে সচেতন রাখবেন।

মুশফিক আরও বলেন, দয়া করে এখন কেউ এক সঙ্গে বাইরে ঘুরতে বের হবেন না। এই সময় বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় দেয়া তথ্যের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। অনেকে ভুল তথ্য ছড়াতে পারে। গুজবে কান দেবেন না। আমি নিজের এবং পরিবারের সচেতনতার জন্য এখন বাসায় অবস্থান করছি। খুব জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হচ্ছি না। যতটুকু সম্ভব সচেতন থাকার চেষ্টা করছি। নিজে সুস্থ থাকুন এবং অন্যকে সুস্থ থাকার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করুন। মনে রাখবেন, আপনার হাতেই আপনার সুরক্ষা।