বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

করপোরেট কর ৫ থেকে ১০ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব

আসছে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সব ধরনের কোম্পানির করপোরেট কর হার ৫ থেকে ১০ শতাংশ কমানোর দাবি জানিয়েছেন ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ।

একই সঙ্গে ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধির প্রস্তাব করেন সংগঠনটি। সোমবার (২৩ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আয়োজিত চলমান প্রাক্-বাজেট আলোচনা সভায় এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমানুল মুনিমের সভাপতিত্বে কাকরাইলে প্রতিষ্ঠানটির সম্মেলনকক্ষে এ সভা হয়।

এ সময় এফআইসিসিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক টি আই এম নুরুল কবির আয়কর, ভ্যাট ও শুল্কে ২২ ধরনের প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।

প্রস্তাবনায় সব ধরনের কোম্পানির ক্ষেত্রে করপোরেট কর অন্তত ৫ থেকে ১০ শতাংশ কমানো এবং বর্তমান জীবনধারণ ব্যয় ও মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।

অন্যদিকে ভিত্তি মূল্যের পরিবর্তে লেনদেন মূল্যের ওপর মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) হিসাব করার দাবি জানিয়েছে এফআইসিসিআই। একই সঙ্গে বিলাসবহুল পণ্য ব্যতীত স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত সব ধরনের পণ্যে সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার চেয়েছে সংগঠনটি। এছাড়া সিমেন্টে উৎপাদনকারীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন এইচএস কোডের আওতায় ৫ শতাংশ শুল্ক হার দাবি করা হয় আলোচনায়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন এফআইসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ইউনিলিভার বাংলাদেশ নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কেদার লেলে ও রবির সিইও মাহতাব উদ্দিসহ নির্বাহী কমিটির সদস্যরা।

এফআইসিসিআইয়ের কর্মকর্তারা সভায় বলেন, অর্থনৈতিক বিকাশের স্বার্থে পর্যায়ক্রমে করপোরেট করের হার কমানো উচিত। কয়েক বছর ধরে আশানুরূপ স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ হচ্ছে না। বিনিয়োগ না হলে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান হবে না। এ সময় বক্তারা করোনা মোকাবিলায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

এবারের প্রাক-বাজেট আলোচনা সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ব্যবসায়ী সংগঠনের ২ থেকে ৩ জন নেতা এনবিআরে এসে বাজেট প্রস্তাব দেওয়ার অনুরোধ করেছে এনবিআর। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এই উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর। একই সঙ্গে গণমাধ্যম কর্মীদের বাজেট আলোচনা কভার না করার অনুরোধ জানিয়েছে এনবিআরের জনসংযাগ বিভাগ। গত ১৯ মার্চ প্রথম দিনের আলোচনা শুরু হয়।