বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

রাজস্ব ঘাটতি ৪৫ হাজার কোটি, ছাড়াবে ১ লাখ কোটি টাকা

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ২০০ কোটি টাকা। জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অর্থ বছরের প্রথম আট মাসে লক্ষমাত্রার চেয়ে এ পরিমাণ অর্থ ঘাটতি রয়েছে।

আগামী চার মাসে ঘাটতির পরিমাণ আরও বাড়বে। তাতে এ বছর রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ ১ লাখ কোটি টাকার বেশি ছাড়িয়ে যাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য মতে, রাজস্ব আহরণে প্রথম আটমাসে এনবিআরের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা। আলোচিত এ সময় রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪১৫ কোটি টাকা। যা মোট লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৪৫ হাজার ৪০৮ কোট টাকা। আর শতাংশের হিসেবে ২৩ দশমিক ৯২ শতাংশ কম। চলতি বছরের এনবিআরের রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

রাজস্ব আহরণের তিনটি খাতের মধ্যে গত আটমাসে ৪২ হাজার ৮৩৭ কোটি টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে। টার্গেট ছিলো ৬০ হাজার ২৩৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ ২৮ দশমকি ৮৮ শতাংশ আদায় হয়নি।

ভ্যাট থেকে আদায় হয়েছে ৫৬ হাজার ৯৫৩ কোটি টাকা। টাগের্ট ছিলো ৭১ হাজার ৮০৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ ২০ দশমিক ৬৯ শতাংশ কম আদায় হয়েছে।

ঠিক একইভাবে ইনকাম ট্যাক্স খাত থেকে গত আট মাসে মোট ৪৪ হাজার ৬২৪ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ হয়েছে। আর টার্গেট ছিলো ৫৭ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা। এই সেক্টর থেকে ২২ দশমকি ৭৭ শতাংশ রাজস্ব আহরণ কম হয়েছে।

দেশের অর্থনীতির চিত্র ও এনবিআরের দুর্বলতার সম্ভাবনা থাকার পরও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম রাজস্ব আদায় হচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এর সঙ্গে নতুন করে যোগ হয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। ফলে সরকারের রাজস্ব আহরণের পরিকল্পানা বাস্তবায়ন হবে না। কারণ আমদানি রফতানির অর্ডার বাতিল করছে ক্রেতা-বিক্রেতারা। ফলে ব্যবসায় মহাদুর্যোগ নেমে আসছে।