বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় করোনা ঝুঁকিতেও ৬০ শ্রমিক দিয়ে ছাদ ঢালাই

আবির হোসাইন শাহিন সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি ; প্রানঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমনের মধ্যেই উল্লাপাড়া উপজেলার রামকৃঞ্চপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম হিরোর দ্বিতল মার্কেটের ছাদের ঢালাই কাজ চলছে। এতে জনসচেনতা তো দুরের কথা, নিজের ফায়দা লুটতে তিনি ব্যস্ত সময় পার করছেন।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার রামকৃঞ্চপুর ইউনিয়নের দবিরগঞ্জ বাজারে গিয়ে দেখা যায় ৬০ লেবার একত্রিত করে মিকচার মেশিন চালিয়ে তার ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করছে। সে জনপ্রতিনিধি হয়েও সরকারী নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, করোনা ভাইরাসে আক্রন্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে রামকৃঞ্চপুর ইউনিয়ন বাসি। সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে প্রতিটি ইউনিয়নে মাইকিং ফিলেটসহ নানা প্রচারনা চালাচ্ছে সরকার। হাট বাজারে মানুষ যেতে পারছেনা। ৫/৭ জন একত্রিত হতে পাছেনা। অথচ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম হিরো এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় ৬০ জন লেবার ও মিস্ত্রি লাগিয়ে তার দ্বিতল ভবনের কাজ ঠিকই করছে। তারা আরও বলেন, এলাকায় বর্তমানে ঘরের মিস্ত্রি পর্যন্ত লাগাতে দিচ্ছে না ওই চেয়ারম্যান।

এবিষয়ে রফিকুল ইসলাম হিরো মোবাইলে সাংবাদিকদের বলেন, আমার এলাকায় কোন জনসমাগম নেই। জনসচেতনতায় আমি নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। প্রানঘাতী করোনা মধ্যে আপনার ভবনের কাজ কিভাবে করাচ্ছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আমি করাচ্ছিনা। ভবন আমার। সাব ঠিকাদার দিয়ে করাচ্ছি।

এলাকাবাসির অভিযোগে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ৬০ লেবার ও মিস্ত্রিদের দিয়ে তার ভবনের ছাদ ঢালায়ের কাজ করছে। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে চেয়ারম্যান সটকে পড়ে। পরে সেখানে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্ব্যেতা ও চৌকিদারকেও দেখা যায়। তাদের দিয়েও ভবনের বিভিন্ন কাজ করাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে শ্রমিক এনে তিনি কাজ করাচ্ছেন। অথচ করোনা আতঙ্কে পুরো এলাকা। সংশ্লিষ্ঠ কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন এলাকাবাসী।

এবিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুজ্জামান জানান, চারি দিকে করোনা আতঙ্ক। এর মধ্যে যদি এধরনের কাজ করের থাকে তাহলে অন্যায় করেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।