বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

করোনা নয় ভাঙন আতঙ্কে সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরের ১০ গ্রাম

আবির হোসাইন শাহিন সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ: চৈত্রের এই প্রখর খরতাপের মধ্যেও শাহজাদপুর উপজেলার যমুনা নদীতে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে উপজেলার কৈজুরি, খুকনী ও জালালপুর ইউনিয়নের ১০ গ্রাম ভাঙনের কবলে পড়ে ক্রমশ মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। এসব গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ বাড়িঘর হারানোর আতঙ্কে দিশেহারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বছরের ভাঙনে এসব গ্রামের কমপক্ষে ৪ শতাধিক বাড়িঘর, ২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ১টি চিকিৎসা কেন্দ্র, ২টি মসজিদ, ২টি ঈদগাহ মাঠ, ৫০টি তাঁত কারখানা, ৪০০ বিঘা আবাদি জমি, ৩ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক, ১টি মাদ্রাসা, ১টি কবরস্থান, ১টি শ্মশান ঘাট, ১টি মন্দির ও ২ শতাধিক গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এই ভাঙনকবলিত গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে, ব্রহ্মণগ্রাম, আরকান্দি, পাকুরতলা, পুঁটিপাড়া, বাঐখোলা, ঘাটাবাড়ি, ভেকা, জালালপুর, চিলাপাড়া ও হাট পাচিল। এরই মধ্যে বেশকিছু ঘরবাড়ি, তাঁত কারখানা ও ফসলি জমি নদী ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত নূরু মির্জা, আমিরুল ইসলাম, আবদুল হালিম, আবদুল হামিদ আলী, এমদাদ আলী, ইউসুফ আলী, এমদাদুল হক মিলন, রাসেল সরকার, শাকিল আহমেদ, সাব্বির হোসেন, সিয়াম হোসেন, আলমগীর হোসেন, সাহেরা খাতুন, মোমেনা খাতুন, শাহাদ আলী, জসিম উদ্দিন, আলিমুদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম,পরমেশ্বর সরকার জানান, গত বছরের বন্যায় এ এলাকার প্রায় ৪ শতাধিক বাড়িঘর যমুনা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়েছে। এতে প্রায় ৪ শতাধিক মানুষ গৃহহীন হয়েছে।

এ বছর সবেমাত্র নদীতে জোয়ার শুরু হয়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরুর এখনও ৩ মাস দেরি আছে। অথচ এরই মধ্যে নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে। ফলে তারা অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। তারা বলেন, বাঁধ নির্মাণের দাবিতে গত ৪ বছর ধরে মিছিল মিটিং ও মানববন্ধন করেও কোনো কাজ হয়নি।