বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

দু’বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে এবার বেশি মানুষ মৃত্যুর আশঙ্কা

প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মিলে যত মানুষ মরেছে , করোনায় তার তুলনায় অনেক বেশি মানুষ মারা যাবে বলে শুরুতেই সতর্ক করেছিলেন চীনের লেইশেনশেন হসপিটালের প্রধান ওয়াং শিংহুয়ান।

করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে চীনের উহান শহরে অস্থায়ীভাবে হাসপাতাল নির্মাণের সময়ই বিশ্বকে এ হুশিয়ারি দিয়েছেলেন তিনি।

সে সময় তিনি বলেন, করোনাভাইরাস খুব ভয়ঙ্কর। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মিলে যত মানুষ মরেছে , করোনায় তার তুলনায় অনেক বেশি মানুষ মরবে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মতো শহরগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে। রোববার এক প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশ করেছে এএফপি।

এই পরিস্থিতিতে যে কোনো রাজনৈতিক শক্তি কেবল নিজস্ব প্রয়োজন বিবেচনা করাটা এবং সাধারণ মানুষের জীবনকে অবহেলা করা অত্যন্ত বোকামি হবে।

ওই সময় মাস্ক পরার ব্যাপারেও জোর দেন শিংহুয়ান। পাশাপাশি হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ যথেষ্ট রাখারও পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি ।

মাস্ক পরা সম্পর্কে তিনি বলেন, যখন নিউইয়র্কের ডাক্তারদের সঙ্গে আমার কথা হয়, তারা বলেছিল ফেস মাস্ক ব্যবহার করা কিংবা না করার বিষয়টা সংস্কৃতির ব্যাপার।

হংকংয়ের ফনিক্স টেলিভিশন থেকে এ ব্যাপারে আমার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। আমি মনে করি যে, সকল গণমাধ্যমের এই বার্তা দেওয়া উচিৎ যে, ফেস মাস্ক ব্যবহার করা কোনো সংস্কৃতির ব্যাপার নয়। এটা বিজ্ঞানসম্মত। বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে, নিজেদের সুরক্ষার জন্য মাস্ক পরতে হবে।

নিউইয়র্কে মহামারিটি ছড়িয়ে যাওয়া নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। তিনি বলেন, উহানে এ ধরনের ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা আমাদের হয়েছে। অনেক রোগীর মধ্যেই হালকা ধরনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তাদেরকে বাড়ি ফিরে গিয়ে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু পরে আমরা বুঝেছি, এটা বড় ধরনের ব্যর্থতা। এই ভুল এখন নিউইয়র্ক করছে।

লাইটনিউজ/এসআই