বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

দেড় লাখ ছাড়ালো মৃত্যু, আক্রান্ত ২২ লাখের বেশি

এক সপ্তাহের মৃত্যুর ব্যবধানে বাড়লো আরও ৫০ হাজার। ঠিক এক সপ্তাহ আগে লিখেছিলাম, করোনাভাইরাসের কারণে মৃত্যু পার হলো ১ লাখ। গত এক সপ্তাহে মৃত্যুর হার কমেনি। একই থাকলো। ক্ষেত্রে বিশেষে বেড়েছে। অবশেষে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পৃথিবীব্যাপি মৃতের সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়িয়ে গেলো।

মৃতের সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২২ লাখ ছাড়িয়ে গেলো। গত বছর ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে চীনের উহান থেকে এখনও পর্যন্ত বিশ্বের ২১০টি দেশ এবং অঞ্চলে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতি এই করোনাভাইরাস।
এদিকে, বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও মারা যাওয়া ও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে মহামারি করোনাভাইরাস। ফলে ভাইরাসটিতে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৭৫ জনের। করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও ২৬৬ জন। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল এক হাজার ৮৩৮ জনে।

শুক্রবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। এতে নিজের বাসা থেকে সংযুক্ত হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও আইইডিসিআরের পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

বুলেটিন উপস্থাপনকালে করোনার বিস্তাররোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দিয়ে উঠলেও এখন ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ২১ লাখ ৮৫ হাজার প্রায়। মৃতের সংখ্যা এক লাখ ৪৬ হাজারেরও বেশি। তবে সাড়ে পাঁচ লাখ রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। সবশেষ হিসাবে দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ৮৩৮ । মারা গেছেন ৭৫ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৯ জন।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি নানা সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে; যার মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। মানুষকে ঘরে রাখতে রাজপথের পাশাপাশি পাড়া-মহল্লায় টহল দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী, র্যাব ও পুলিশ।

লাইটনিউজ/এসআই