বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

মৎস্য ও পোল্ট্রি উৎপাদনে ঘাটতি রাখা যাবে না

করোনাভাইরাস সংকটে মুরগির বাচ্চা, মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্য, ভ্যাকসিন উৎপাদন, পরিবহন ও আমদানিতে ঘাটতি রাখা যাবে না। একইসঙ্গে চিংড়িসহ অন্যান্য মাছের পোণা উৎপাদন, সরবরাহ ও বিপণন স্বাভাবিক রাখার পরামর্শ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

রোববার রাজধানীর ফার্মগেটে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে করোনা পরিস্থিতিতে মৎস্য, পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতের সংকট মোকাবিলায় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ সংক্রান্ত এক জরুরি সভায় তিনি এসব কথা জানান।

করোনা পরিস্থিতিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সংকট মোকাবিলায় ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে মৎস্য, পোল্ট্রি ও ডেইরি সংকট মোকাবিলায় এক সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে একটি নীতিমালা প্রস্তুত করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় ও দফতর-সংস্থার চলমান কার্যক্রম গতিশীল করা এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে প্যাকেজ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ মুহূর্তে শুধু নয় আগামীতেও যাতে করোনা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ক্ষয়-ক্ষতির মধ্যে এ খাতে ধস না নামে, সেদিকটা বিবেচনায় রাখছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের আর্থিক ঋণ সহায়তা প্রকল্প এলডিডিপির আওতায় ইমার্জেন্সি রেসপন্স হিসেবে পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতের জন্য প্রায় একশত মিলিয়ন মার্কিন ডলার আর্থিক মূল্যের সেপারেটর মেশিন, কুলিং ভ্যান ও জীবাণুনাশক স্প্রে ক্রয়সহ নগদ প্রণোদনার জন্য বিশ্বব্যাংকে প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তা এবং খামারিদের আর্থিক ক্ষতি মোকাবিলায় ব্যাংক বা এনজিও থেকে গৃহীত ঋণের কিস্তি ও সুদ একবছরের জন্য মওকুফকরণ, ২ হাজার কোটি টাকা নগদ প্রণোদনা প্রদান এবং বিনা সুদে ও সহজ শর্তে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ প্রদানের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে এরইমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সম্পৃক্ত উদ্যোক্তা, খামারি, রফতানিকারক ও শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দফতর-অধিদফতরের জেলা-উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে কোনোভাবেই গাফিলতি সহ্য করা হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।

লাইটনিউজ/এসআই