বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

সরকার ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য ক্রয় করবে

লাইট নিউজ প্রতিবেদক : চলতি বোরো মৌসুমে সরকার ২১ লাখ মেট্রিকটন খাদ্য সংগ্রহ অর্থাৎ ক্রয় করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আমরা ধান সংগ্রহ করার ঘোষণা দিয়েছি। আট লাখ মেট্রিক টন ধান, ১০ মেট্রিক টন চাল, ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন আতপ এবং ৮০ হাজার মেট্রিক টন গমসহ সর্বমোট ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য সংগ্রহ করবে সরকার। তাতে আমাদের ভবিষ্যতে আর কোনো অভাব হবে না। আগামী তিন বছর অর্থনীতির চাকা চালু রাখতে সরকার ইতোমধ্যে প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। আমাদের দেশের মানুষ যাতে কোনো কষ্ট না পায় এজন্য এ প্রনোদনা ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে করোনাভাইরাসের পরিস্থিতিতে নিয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ বিভাগের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন তিনি। এসময় সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, সামনে রোজা আসছে। এজন্য ১০ টাকা কেজিতে ওএমএস চাল বিক্রি করছি। সেখানে আরও ৫০ লাখ মানুষের তালিকা করা হবে। প্রায় ৫ কোটি মানুষ খাদ্য সহায়তা পাবেন। ধান ওঠা শুরু করেছে। সুতরাং খাদ্যে কোনো ঘাটতি পড়বে না।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আগেও বলেছিলাম এপ্রিল মাস আমাদের জন্য কষ্টের হবে। এজন্য এই মাসে সবাইকে সাবধানে থাকার কথা বলেছিলাম। আমাদের সংক্রমণও বেড়ে গেছে এপ্রিল মাসে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশে দেড়শ’র মতো বাংলাদেশি মারা গেছেন। যুক্তরাজ্যেও বাংলাদেশি ডাক্তারসহ অনেকে মারা গেছেন। সে তুলনায় আমরা অনেক নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। এজন্য আমরা যদি আর একটু সচেতন হই তাহলে আরও নিয়ন্ত্রণে আসবে। তারপরেও জীবন থেমে থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, যারা কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত আছেন, যেমন যারা ধান কাটবেন তাদের কর্মস্থলে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। করোনা পরবর্তী বিশ্বে দুর্ভিক্ষ কিংবা খাদ্য সংকট আসতে পারে। এজন্য এক টুকরো জমিও যেন খালি না থাকে। পাশাপাশি যারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আছেন তারা যেন তাদের কাজ চালু রাখেন। আমরা ইতোমধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা দিয়েছি। কৃষিখাতে আরও বেশি প্রণোদনা দিয়েছি। এজন্য আমরা চাই, উৎপাদিত পণ্য সরবরাহের জন্য ব্যবস্থা করে দিতে পারি। এজন্য হাট বসার ক্ষেত্রে খোলা জায়গায় হাট বসার ব্যবস্থা করেছি।

করোনা সচেতনতা বৃদ্ধি করতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেকে সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি অপরকে সুস্থ রাখাতে চেষ্টা করেন। কয়েকটি জেলায় এর সংক্রমণ বেড়ে গেছে। এজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। ডাক্তার নার্স যারা রোগী দেখবেন, করোনা সংক্রান্ত সরঞ্জাম সবাই যদি ব্যবহার করেন তাহলে তাদের কী দেব সেটাও প্রশ্ন আসে। সুতরাং রোগী দেখার জন্য যেসব সরঞ্জাম সেগুলো সকলে ব্যবহার করবেন না। অন্যান্যরা মাস্ক, গ্লাভস ব্যবহার করবেন।

তিনি বলেন, নিজেকে সুরক্ষা করতে হবে। আমাদের দেশে অনেকেই লকডাউন মানতে চান না। এই ভাইরাসের কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না। সারাবিশ্বে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও স্থবির। সারাবিশ্বে সকল উপাসনালয় বন্ধ আছে। মসজিদ মন্দির, গির্জা বন্ধ আছে। বিশ্বের অনেক স্থানে কারফিউ জারি হচ্ছে। আমরাও সেভাবে সবকিছু বন্ধ রাখছি।

লাইট নিউজ