বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

মৃত্যু দুই লাখ, পুরোপুরি সুস্থ ৮ লাখ মানুষ

বিশ্বব্যাপী অবিচ্ছিন্ন লকডাউনে কমে এসেছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। একইসঙ্গে আক্রান্ত রোগীরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। সারাবিশ্বে ২৮ লাখ ৩০ হাজার ২৮৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে এক লাখ ৯৭ হাজার ২৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ১ হাজার ১৭ জন।

ইতালিতে সুস্থের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়াল

মহামারি করোনা ভাইরাসে ইতালিতে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২ হাজার ৯২২ জন। এ নিয়ে দেশটিতে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬০ হাজার ৪৯৮ জন করোনা রোগী। এছাড়া এদিন ইতালিতে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪২০ জনের। এনিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৫ হাজার ৯৬৯ জনে। এই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২১ জন। দেশটিতে করোনা মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৯২ হাজার ৯৯৪ জন।

যুক্তরাষ্ট্রে ১ লাখ মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন

বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমেরিকা। আমেরিকায় এ পর্যন্ত ৫০ হাজার ৮৩৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর মারা গেছেন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৯০ হাজার ৭১৯ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ১০ হাজার ৪৩২ জন।

নিউইয়র্কে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৫৮১ জনে এবং মৃত্যু হয়েছে ২১ হাজার ২৮৩ জনের। নিউ জার্সিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ২৫ জন, মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজার ৪২৮ জনের। ক্যালিফোর্নিয়া, পেনসিলভানিয়া, লিনিওস, লুইসিয়ানায় মৃতের সংখ্যা হাজারের বেশি এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজারেরও বেশি। মিশিগানে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৯৭৭ জনের এবং ম্যাসচেস্টাসে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৩৬০ জনের।

স্পেনে সুস্থ হলেন ৯২ হাজার মানুষ

স্পেনে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ৭৪০ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৬৪ জন। দেশটিতে ৯২ হাজার ৩৫৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

জার্মানিতে সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ মানুষ

জার্মানিতে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৯৯ জন। এর মধ্যে ৫ হাজার ৭৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটিতে ১ লাখ ৬ হাজার ৮০০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

চীনে সুস্থ হলেন ৭৭ হাজার মানুষ

চীনে গত ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ১২ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৮২ হাজার ৮১৬ জন আক্রান্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ৬৩২ জনের। দেশটিতে মোট ৭৭ হাজার ৩৪৬ জন মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

এছাড়া ফ্রান্সে ৪৩ হাজার ৪৯৩ জন, ইরানে ৬৬ হাজার ৫৯৯ জন, ব্রাজিলে ২৭ হাজার, কানাডায় ১৫ হাজার ৪৬৯ জন, সুইজারল্যান্ডে ২১ হাজার মানুষ সুস্থ হয়েছেন।

চীনের উহান শহরে গত বছর ডিসেম্বর থেকে দেখা যাওয়া এই নতুন ভাইরাস মূলত ফুসফুসে বড় ধরণের সংক্রমণ ঘটায়। জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত প্রধান লক্ষ্মণ। নতুন ভাইরাসটির জেনেটিক কোড বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এটি অনেকটাই সার্স ভাইরাসের মতো। এখনও পর্যন্ত এ ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি।

লাইটনিউজ/এসআই