বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

ইসলামের ঐতিহাসিক ৫ মসজিদ

লাইট নিউজ ডেস্ক : মসজিদ ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনার স্থান। সবচেয়ে পবিত্র স্থান। দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলী ও অপরূপ কারুকার্য খচিত মসজিদগুলোর পেছনে রয়েছে বিভিন্ন ঐতিহাসিক পটভূমি। আজকের আয়োজন ঐতিহাসিক পাঁচ মসজিদ নিয়ে।

মক্কা শরীফের পবিত্র হারাম শরিফ

মসজিদ আল-হারাম, মক্কা : মসজিদুল হারাম হলো ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র স্থান। সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে অবস্থিত এই মসজিদটি। পবিত্র কাবা শরিফকে ঘিরে অবস্থিত এই মসজিদ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে সুন্দর। পবিত্র মসজিদটি মুসল্লিদের জন্য ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকে। নামাজের সময় কাবার দিকে মুখ করে দাঁড়ান। সারাক্ষণই একে ঘিরে তাওয়াফ করতে থাকেন মুসল্লিরা। প্রতি বছর হজ এবং ওমরাহর জন্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এখানে আসেন। সাধারণত এই মসজিদে ৯ লাখ মুসল্লি এক সঙ্গে নামাজ পড়েন। তবে হজের সময় এর পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৪০ লাখে। ভেতরে ও বাইরের নামাজের জায়গা মিলে প্রায় ৪ লাখ ৮০০ বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বর্তমানে অবস্থিত এই সম্প্রসারিত মসজিদ।

সংস্কার ও সম্প্রসারণ : ৬৯২ খ্রিস্টাব্দে এই মসজিদে প্রথম বড় আকারের সংস্কার সাধিত হয়। এর আগে মসজিদ ছিল কাবাকে কেন্দ্র করে একটি খোলা স্থান। ৮ম শতাব্দীর শেষ নাগাদ মসজিদের পুরনো কাঠের স্তম্ভগুলোর বদলে মার্বেলের স্তম্ভ স্থাপন করা হয়। নামাজের স্থান বৃদ্ধিসহ মিনার যুক্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে ইসলামের প্রচার বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাজিদের সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং মসজিদ আরও সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এরপর উসমানী যুগে এবং সর্বশেষ সৌদি যুগে বেশ কয়েকবাই সংস্কার করে সম্প্রসারণ করা হয় এই মসজিদটি।

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা : মসজিদের মধ্যে রয়েছে পবিত্র কাবা। ইসলাম ধর্ম মতে কাবাকে সবচেয়ে পবিত্র স্থান হিসেবে মনে করা হয়। এই কাবার দিকে ফিরেই নামাজ পড়া হয়, পৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে কাবা যেদিকে মুসলমানরা ঠিক সেদিকে মুখ করে নামাজ পড়েন। হজ ও ওমরাহ পালনের সময় মুসলমানরা কাবাকে ঘিরে তাওয়াফ বা প্রদক্ষিণ করেন।

রয়েছে হাজরে আসওয়াদ। যা অবস্থিত কাবার পূর্ব কোণে। কালো রঙের এই পাথরকে তাওয়াফের শুরুতে চুমু দিতে হয়। কোনো কারণে চুমু দিতে না পাড়লে হাতের ইশারা করে তাওয়াফ শুরু করার নিয়ম রয়েছে। এছাড়া রয়েছে সাফা ও মারওয়া নামে দুটি পাহাড়। আগে এই পাহাড় দুটি কাবা শরিফের পাশে ছিল। কিন্তু বর্তমানে মসজিদ সম্প্রসারণের মাধ্যমে এগুলোকে মসজিদের সীমানার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাছাড়া জমজম কুয়া ও মাকামে ইবরাহিমও মসজিদুল হারামের মধ্যে অবস্থিত।

মসজিদে নববি, মদিনা

মসজিদে নববি বা আল মাসজিদুন-নাবি অর্থাৎ মহানবীর মসজিদ। হযরত মুহাম্মদ (সা.) নিজে এই মসজিদের নির্মাণকাজে অংশ নিয়েছিলেন। সেটা ৬২২ খ্রিস্টাব্দে। এই মসজিদের পাশেই ছিল রাসুল (সা.)-এর বাসস্থান। এই মসজিদের এক অংশে রয়েছে রাসুল (সা.)-রওজা মোবারক। এর সঙ্গে রয়েছে ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা.) ও দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা.)-এর রওজা মোবারকও। মসজিদটির অবস্থান সৌদি আরবের মদিনা শহরের কেন্দ্রস্থলে। গুরুত্বের দিক দিয়ে দেখলে মসজিদুল হারামের পর এই মসজিদের স্থান। অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হওয়ার কারণে হাজিরা হজের আগে বা পরে মদিনায় অবস্থান করেন।

সবুজ গম্বুজ : মসজিদের দক্ষিণপূর্ব দিকে অবস্থিত সবুজ গম্বুজ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এটি ছিল আয়েশা বিনতে আবু বকর (রা.)-এর বাড়ি। ১৮৩৭ সালে প্রথম এই মসজিদের গম্বুজটিতে সবুজ রং করা হয়।

নির্মাণ : রাসুল (সা.) হিজরতের পর এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। খেজুর গাছের খুঁটি দিয়ে ছাদের কাঠামো ধরে রাখা হয়। ছাদ তৈরি করা হয় খেজুর পাতার আস্তরণ দিয়ে। সে সময় মসজিদটির উচ্চতা ছিল ৩.৬০ মিটার। দরজা ছিল তিনটি। দক্ষিণে বাব-আল-রহমত, পশ্চিম দিকে বাব-আল জিবরিল এবং পূর্বদিকে বাব-আল-নিসা।

সংস্কার ও সম্প্রসারণ : এই মসজিদটিও বহুবার সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। খায়বারের যুদ্ধের পর মসজিদ সম্প্রসারণ করা হয়। প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা.)-এর শাসনামলে মসজিদের আকার অপরিবর্তিত থাকলেও দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা.) মসজিদ সম্প্রসারণ করেন। এরপরে উমাইয়া, আব্বাসীয় ও উসমানীয় যুগেও করা হয় সংস্কার। সৌদি আরব প্রতিষ্ঠার পরও মসজিদে বেশ কয়েক দফা করা হয় সংস্কার ও সম্প্রসারণ। মসজিদটিতে বর্তমানে ৬ লাখ মুসল্লি এক সঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। তবে হজের সময় সেটা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ লাখে।

স্থাপনা : রওজায়ে জান্নাত বা রিয়াদুল জান্নাত। মসজিদের মধ্যেই ছোট কিন্তু বিশেষ এলাকা। এটি মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা থেকে তার মিম্বর পর্যন্ত বিস্তৃত। এই জায়গা বেহেশতের বাগান নামেও পরিচিত।

রওজা মসজিদের সঙ্গে অবস্থিত। এখানে মুহাম্মদ (সা.) এবং প্রথম দুই খলিফার কবর রয়েছে। জানা যায় এর পাশে একটি কবরের জন্য খালি জায়গা রয়েছে। ইসলাম ধর্মমত অনুযায়ী ঈসা (আ.) পৃথিবীতে আবার ফিরে আসবেন এবং মারা যাওয়ার পর তাকে এখানে দাফন করা হবে।

এই মসজিদে তিনটি মিহরাব রয়েছে। এর মধ্যে একটি মুহাম্মদ (সা.)-এর সময় নির্মিত হয়। বাকিগুলো পরবর্তী সময়ে নির্মিত। রয়েছে মিম্বর। মুহাম্মদ (সা.) কর্তৃক মূল মিম্বরটি খেজুর গাছের কাঠ দিয়ে নির্মিত হয়েছিল। পরে এর স্থলে অন্য মিম্বর বসানো হয়।

মসজিদ আল আকসা

আল আকসা, জেরুজালেম : আল আকসা বা মসজিদুল আকসা হচ্ছে ইসলামের প্রথম কেবলা। এটি বায়তুল মুকাদ্দাস নামেও পরিচিত। পবিত্র কাবাঘর নির্মাণের ৪০ বছর পর নির্মিত হয় আল আকসা। মক্কা ও মদিনার পর তৃতীয় পবিত্র স্থান বলা হয় এই মসজিদকেই। ১৯৮১ সালে একে ইউনেসকো বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে। পবিত্র আল কুরআনে অনেক পবিত্র স্থানের কথা উল্লেখ রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম এই আল মসজিদুল আকসা। মসজিদটি অবস্থিত ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে। মসজিদুল আকসা অর্থ ‘দূরবর্তী মসজিদ’। ইসলামের বর্ণনা অনুযায়ী মুহাম্মদ (সা.) মিরাজের রাতে মসজিদুল হারাম থেকে আল আকসা মসজিদে এসেছিলেন।

প্রথম কিবলা : ইসলামে আল-আকসা মসজিদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। প্রথম দিকে মুসলমানরা এই স্থানকে কিবলা হিসেবে ব্যবহার করত। হিজরতের পরে কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পরিবর্তে কাবা হয়ে যায় নতুন কিবলা।

নির্মাণ ও সংস্কার : এ মসজিদের নির্মাণ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। হজরত ইবরাহিম (আ.) কর্র্তৃক কাবাগৃহ নির্মাণের ৪০ বছর পর হজরত ইয়াকুব (আ.) এই মসজিদ নির্মাণ করেন। এরপর খ্রিস্টপূর্ব ১০০৪ সালে হজরত সোলায়মান (আ.) এই মসজিদটি পুনর্নির্মাণ করেন। বিভিন্ন শাসকের সময় মসজিদে অতিরিক্ত অংশ যোগ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে গম্বুজ, আঙিনা, মিম্বর, মেহরাব ও অভ্যন্তরীণ কাঠামো।

৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে সমগ্র বায়তুল মোকাদ্দাস এলাকা মুসলমানদের দখলে আসার পর মুসলমান শাসকরা কয়েকবার এ মসজিদের সংস্কার করেন। কিন্তু ১০৯৬ সালে খ্রিস্টান ক্রুসেডাররা ফিলিস্তিন দখল করে নেওয়ার পর আল আকসা মসজিদের ব্যাপক পরিবর্তন করে একে গির্জায় পরিণত করে। তারা মসজিদের গম্বুজের ওপরে ক্রুশ স্থাপন করে এর নাম রাখে- ‘সুলাইমানি উপাসনালয়।’ এরপর নানা সময়ে হয়েছে সংস্কার ও পরিবর্তন। ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে বিশ শতকের প্রথম সংস্কার সাধিত হয়। ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে এক বার এই মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ারও ঘটনা ঘটে।

স্থাপত্য : এটির সঙ্গে একই প্রাঙ্গণে কুব্বাত আস সাখরা। এটি ডোম অব দ্য রক বলেও পরিচিত। এখানে অবস্থিত সাখরা নামক পাথরের কারণে স্থানটি ধর্মীয় দিক দিয়ে গুরুত্ববহ। কুব্বাত আস সাখরা, কুব্বাত আস সিলসিলা ও কুব্বাত আন নবী নামক স্থাপনা অবস্থিত একই প্রাঙ্গণে। স্থাপনাগুলোসহ এই পুরো স্থানটিকে বলা হয় হারাম আল শরিফ। শুধু মুসলিম কেন ইহুদি ধর্মে এই স্থানটিকে পবিত্র বলে উল্লেখ রয়েছে। এ স্থানটিকে তাদের কাছে ‘টেম্পল মাউন্ট’ বলে পরিচিত।

এই মসজিদ এবং তার আশপাশের এলাকা বহু নবীর স্মৃতিবিজড়িত। এ পবিত্র নাম শুধু একটি স্থানের সঙ্গে জড়িত নয় বরং এ নাম সব মুসলমানের ইমান ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। আয়তাকার আল-আকসা মসজিদ ও এর পরিপার্শ্ব মিলিয়ে আকার ১,৪৪,০০০ বর্গমিটার তবে শুধু মসজিদের আকার প্রায় ৩৫,০০০ বর্গমিটার। এখানে এক সঙ্গে ৫,০০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।

মসজিদ-ই-কিবলাতাইন বা দুই কেবলার মসজিদ

মসজিদ আল কিবলাতাইন, মদিনা : ‘কিবলা’ আরবি শব্দ। নামাজ আদায়ের দিকনির্দেশকে কিবলা বলা হয়। আর দু’টি কিবলা বুঝানো হয় ‘কিবলাতাইন’ শব্দ দ্বারা। তাই মসজিদ আল কিবলাতাইন-এর অর্থ দুই কিবলার মসজিদ। এই মসজিদটি এক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। ঐতিহাসিক দিক দিয়ে দেখলে এই মসজিদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে নামাজ আদায় করার সময়ই মুহাম্মদ (সা.)-এর কাছে কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশের ওহি আসে।

গবেষকদের মতে, কিবলা পরিবর্তনের দিন হযরত মুহাম্মদ (সা.) এই মসজিদে জেরুজালেমের বায়তুল মুকাদ্দাস মসজিদমুখী হয়ে নামাজ আদায় করেছিলেন। দুই রাকাত নামাজ শেষে তার কাছে কিবলা পরিবর্তনের এই ওহি আসে। এই নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাসুল (সা.) নামাজের মধ্যেই কিবলা পরিবর্তন করেন। এ সময় তার পেছনে নামাজ আদায়রত সাহাবিরাও কিবলা পরিবর্তন করেন।

আগে ছিল এই মসজিদে দুটি মিহরাব। সাম্প্রতিক সময়ে মসজিদ পুনর্নির্মাণের সময় জেরুজালেমের দিকে মুখ করা মিহরাব সরিয়ে ফেলা হয়। এই মসজিদে একসঙ্গে দুই হাজার লোক নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদটির আয়তন তিন হাজার ৯২০ বর্গমিটার। বর্তমানে এই মসজিদে দুটি মিনার ও দুটি গম্বুজ রয়েছে। মসজিদ আল কিবলাতাইন বছরজুড়ে দেশ-বিদেশের মুসলমানদের আগমনে মুখরিত থাকে। হজের সময় এই ভিড় আরও বাড়ে।

মসজিদ-ই-কুবা বা কুবা মসজিদ

কুবা মসজিদ, মদিনা : মসজিদে কুবা বা কুবা মসজিদ। এটি ইসলামের প্রথম মসজিদ। হযরত মুহাম্মদ (সা.) পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের প্রথম দিন আল্লাহর নির্দেশে মক্কা থেকে মদিনা অভিমুখে হিজরত করেন। আর এ হিজরতের মধ্য দিয়ে মদিনা শহরকে কেন্দ্র করে ইসলাম ও কোরআনের বাণী বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। হিজরতের অভিমুখে সর্ব প্রথম যে মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন, তার নাম কুবা মসজিদ। মুহাম্মদ (সা.) এই মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করেন। মূলত তাঁরই তত্ত্বাবধানে মসজিদের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। এখানে তিনি বেশ কিছুদিন অবস্থান করেছিলেন। সৌদি আরবের মদিনায় এটি অবস্থিত।

নির্মাণ ও সংস্কার : মসজিদটি তৈরি হয় ৬২২ খ্রিস্টাব্দে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত মসজিদে কুবাকে অনেকবার সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ করা হয়।

সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে মসজিদটির পুনর্নির্মাণ করা হয়। মদিনাবাসীর সরলতা এবং মদিনার পবিত্রতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এই মসজিদ পুনর্নির্মাণে পুরো মসজিদে ব্যবহার করা হয়েছে উন্নতমানের সাদা ব্যাসল্ট পাথর। এই মসজিদে রয়েছে চারটি উঁচু মিনার, ছাদে মোট ৬টি গম্বুজ। বর্তমানে কুবা মসজিদ চত্বরে মূল মসজিদ ছাড়াও আবাসিক এলাকা, অফিস, অজুখানা, দোকান ও লাইব্রেরি রয়েছে। মসজিদে হারাম, মসজিদে নববি এবং মসজিদে আকসার পরই মসজিদে কুবার সম্মান ও ফজিলত। পবিত্র হজ ও ওমরাহ পালনকালে এই মসজিদে নফল নামাজ আদায়ে সচেষ্ট থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

লাইট নিউজ ডেস্ক