বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

সাগর তীরে ফিরে আসা ডলফিন মানুষের কারণেই হুমকিতে

করোনার প্রভাবে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে নেই পর্যটকের কোলাহল। ফলে সৈকত ফিরেছে তার পুরনো রূপে। সাগর তীরে দল বেঁধে খেলা করছে ডলফিন। কিন্তু এই ডলফিন এখন হুমকির মুখে। সাগরে জেলেদের জালে আটকা পড়ছে ডলফিন। পরিবেশবাদিরা বলছেন, জেলেরা জাল বাঁচাতে গিয়ে ডলফিন হত্যা করছে। আর জেলেদের এ ব্যাপারে সচেতন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা।

করোনাভাইরাসের কারণে পুরো দেশ এখন ঘরবন্দি। পর্যটন শহর কক্সবাজারে নেই সেই চিরচেনা কোলাহল। বেলাভূমিতে পা পড়ছে না কোনো পর্যটকের। তাই পুরনো রূপে ফিরেছে সাগর।

স্বচ্ছ নীল জলরাশি, দেখা মিলছে বিরল দৃশ্যের। সাগর তীরে বিচরণ করছে ডলফিনের দল। যা অন্য কোনো সময় দেখা যায়নি। কিন্তু এ ডলফিন এখন হুমকির মুখে। সাগরে বিচরণকালে নিরীহ, শান্ত ও জ্ঞানী এই প্রাণীকে জেলেরা হত্যা করছে। জেলেরা বলেন, বড় জালগুলোতে ডলফিন আটকা পরে। তারা মরে যায়।

পরিবেশবাদি সংগঠনের নেতা বলছেন, প্রাণী সুরক্ষা নীতি ও জেলেদের সচেতন করা যায়নি বলে ডলফিন এখন হুমকির মুখে পড়েছে।

বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, ডলফিনগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সমাজকে সচেতন করা জরুরি।

সেভ দ্যা নেচার অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসাইন বলেন, কোন প্রাণি ক্ষতিকর আর কোন প্রাণি ক্ষতিকর নয় সে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা সচেতনতা তৈরিতে ব্যর্থ হয়েছি এর কারণেই জেলেদের জালে আটকা পরে ডলফিন প্রতিদিন মারা যাচ্ছে।

আর মৎস্য কর্মকর্তা এসএম খালেকুজ্জামান জানালেন, জেলেদের সচেতন করার পাশাপাশি ডলফিনের প্রতি বন্ধুসুলভ আচরণের জন্য বলা হচ্ছে। তিনি বলেন, এটা কোনো আগ্রাসী প্রাণি নয়। তাদের প্রতি বন্ধু সুলভ আচরণ করতে হবে

গেল ২৩ মার্চ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী পয়েন্টে ডলফিনের দুটি দলকে খেলা করতে দেখা যায়। সেখানে ২০ থেকে ২৫টি ডলফিন ছিল। আর গত দু’দিনে জেলেদের জালে আটকা পড়ে মারা গেছে ৩টি ডলফিন।

লাইট নিউজ