বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

রোজায় পেট ফাঁপা সমস্যার সমাধান

 

রোজায় যতই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হোক না কেন, কিছু মুখরোচক খাবার খাওয়া হয়ে যায়-ই। কাঁটায় কাঁটায় নিয়ম মেনে আর কে-ই বা খেতে পারে! তাই রোজায় পেটের সমস্যা হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। পেটে সমস্যা বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। পেটের ফোলাভাব, পেট ফাঁপা, গ্যাসের সমস্যা-খুবই পরিচিত। আসলে আমাদের পাকস্থলী একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ পর্যন্ত খাবার হজম করতে পারে। তার থেকে বেশি হয়ে গেলেই পেটে গ্যাসের সমস্যা হয়।

তলপেটে চরম অস্থিরতা অনুভব হলে এবং একইসঙ্গে আপনার পেট যদি স্বাভাবিক আকারের থেকে অনেকটা ফুলে যায়, তাহলেই বুঝবেন পেট ফাঁপার সমস্যা হয়েছে। পাকস্থলিতে অতিরিক্ত গ্যাস জমলে পেট ফাঁপার সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও যেসব কারণে পেট ফেঁপে যেতে পারে-

আসুন জেনে নেই খাবারগুলো কী কী :

১. শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।

২. দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।

৩. পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

৪. কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এ ছাড়াও কলার সলুবল ফাইবারের কারণে কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটি কলা খান। পেট পরিষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার।

৫. আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার। পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।

৬. মৌরি ভিজিয়ে সেই পানি খেলে গ্যাস থাকে না।

৭. দারুচিনি হজমের জন্য খুবই ভালো। এক গ্লাস পানিতে আধ চামচ দারুচিনির গুঁড়ো দিয়ে ফুটিয়ে দিনে ২ থেকে ৩ বার খেলে গ্যাস দূরে থাকবে।

৮. জিরা পেটের গ্যাস, বমি, পায়খানা, রক্তবিকার প্রভৃতিতে অত্যন্ত ফলপ্রদ।

৯. ২/৩টি লবঙ্গ মুখে দিয়ে চুষলে একদিকে বুক জ্বালা, বমি বমিভাব, গ্যাস দূর হয়। সঙ্গে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।