বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

যুক্তরাজ্যে দ্বিগুণ মৃত্যুঝুঁকিতে বাংলাদেশিরা

যুক্তরাজ্যে করোনায় শ্বেতাঙ্গদের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ (১.৮) মৃত্যুঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশিরা।পাশপাশি দেশটিতে করোনায় শ্বেতাঙ্গদের চেয়ে চারগুন মৃত্যু ঝুঁকিতে রয়েছে কৃষ্ণাঙ্গরা।

বৃহস্পতিবার দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান অধিদফতরের (ওএনএস) এক জরিপের বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে পাকিস্তানি ও বাংলাদেশিদের মৃত্যুঝুঁকি বেশি রয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি পুরুষরা শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় ১.৮ গুণমৃত্যু ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ছড়া নারীরা শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় ১.৬ গুণ বেশি মৃত্যুঝুঁকিতে রয়েছে।

চীনের বিভিন্ন জাতিগতদের মধ্যে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ঝুঁকি একই রকম দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া, ক্যারিবিয়ান, আফ্রিকান ও অন্যান্য কৃষ্ণাঙ্গ নারীরা শ্বেতাঙ্গ নারীদের তুলনায় ৪.৩ গুণ ও ওইসব দেশের কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষরা শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় ৪.২ গুণ বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুঝুঁকিতে রয়েছে।

গার্ডিয়ানের গবেষণা বলছে, গত মাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী করোনা ঝুঁকি মোকাবেলা করেছে। দেখা গেছে, ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে সবচেয়ে বেশি জাতিগত গোষ্ঠী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

ওএনএসের বরাত দিয়ে আলজাজির জানায়, এই ফলাফল দেখানো হয়েছে, বিভিন্ন জাতিগত গোষ্ঠীতে মৃতদের আর্থ সামাজিক অবস্থা ও অন্যান্য পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে। তবে পার্থক্যের একটি অংশ এখনো ব্যাখ্যা করা হয়নি।

বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক সামঞ্জস্যতার মডেল ব্যবহারের কথা জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন জাতিগত গোষ্ঠীর মধ্যে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা গেছে।

তবে গার্ডিয়ান জাতীয় পরিসংখ্যান বুর‌্যোর বরাতে জানায়, শুধুমাত্র তাদের (করোনায় আক্রান্ত মৃতদের) সম্প্রদায়ের সম্পদ, শিক্ষা এবং থাকার জায়গার ওপর ভিত্তি করে এটি করা হয়নি। তাদের বয়স, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য, অক্ষমতা এবং আর্থ জনসংখ্যার বৈশিষ্ট্যকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

ওএনএস জানায়, বিভিন্ন জাতিগত শ্বেতাঙ্গদের চেয়ে কৃষ্ণাঙ্গ জাতিগত গোষ্ঠী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে বেশি।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত ও বিভিন্ন জাতিগত গোষ্ঠী শ্বেতাঙ্গ জাতিগত গোষ্ঠীদের চেয়ে বেশি করোনার ঝুঁকিতে রয়েছে।

লাইটনিউজ/এসআই