বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

অর্থনীতি বাঁচতে পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমা বন্ধক রাখতে হবে!

ডেস্ক রিপোর্ট : করোনায় ছোবলে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশগুলো। আরে বেশিদিন এই অবস্থা চলতে থেকে অনেক দেশেই ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয় নেমে আসবে বলে ধারনা করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর এমনটা হলে পাকিস্তানকে চরম মূল্য দিতে হবে। এমনিতেই অর্থনৈতিক সংকটে ডুবে আছে পরমাণু শক্তিধর দেশটি।

একদিকে করোনার অবস্থা প্রকট হচ্ছে অন্যদিকে শোচনীয় অবস্থায় পড়ছে অর্থনীতি। এই অবস্থা চলতে থাকলে তাদের পারমাণবিক বোমা বন্ধক রাখা লাগতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তী ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ।

মিয়াঁদাদ জানিয়েছেন, তার দেশের উপর আবার ঋণের বোঝা চাপতে পারে। আর এবার আইএমএফ-এর মতো সংগঠনের থেকে ঋণ চাইতে গেলে পাকিস্তানের পরমাণু বোমা বন্ধক রাখতে হতে পারে। তাই তিনি পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র বাঁচাতে মাঠে নেমে পড়েছেন। একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলেছেন তিনি। তাতে টাকা দেওয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে আর্জি জানিয়েছেন।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব জাভেদ মিয়াঁদাদ ভারতীয় মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের বেয়াই। এবার তাকেই মাঠে নামতে হলো সাহায্যের জন্য। মিয়াঁদাদ বলেছেন, আমি ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক অফ পাকিস্তানে একটি অ্যাকাউন্ট খুলেছি।

আমি আপনাদের কাছে ভিক্ষা চাইছি। আপনারা দয়া করে ওই অ্যাকাউন্টে টাকা দিন। তা না হলে আমরা দেশের পরমাণু অস্ত্র বাঁচাতে পারব না। আগেই আমাদের উপর অনেক ঋণের বোঝা রয়েছে।

এবার নতুন করে ঋণ চাইতে গেলে আইএমএফ আমাদের পরমাণু অস্ত্র জমা রাখবে। পাকিস্তানের অনেক মানুষ নিজের দেশকেই নির্বিচারে লুটেছে। এবার আমাকে ভিক্ষা দিয়ে তারা নিজেদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করুক। বিদেশে থাকা পাকিস্তানি জনগণের কাছেও আমার অনুরোধ রইল। আপনারাও কর্তব্য পালন করুন।

তিনি আরও বলেন, আমার নতুন অ্যাকাউন্ট ইন্টারন্যাশনাল। আর সেটার ব্যবহার শুধু আমি করব। আইএমএফ-এর ঋণ আমাদের চোকাতে হবে। আপনারা সবাই ওই অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে কিছু কিছু করে টাকা দিন। মনে রাখবেন পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র বন্ধক রাখতে হলে কিন্তু বড় বিপদ নেমে আসবে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের জাতীয় দলের সতীর্থ ছিলেন মিয়াঁদাদ। দেশটিকে একমাত্র বিশ্বকাপটি তারাই এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু এই দুজনের মধ্যে সম্পর্ক বরাবরই ভালো না। ১৯৯২ বিশ্বকাপ জয়ের পর ইমরান তাকে প্রাপ্য পারিশ্রমিক মেটাননি বলে অভিযোগ করেন মিয়াঁদাদ। এছাড়া ইমরান খানের জন্যই তিনি ক্যাপ্টেন্সি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন বলেও জানা যায়।

লাইট নিউজ