বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

আজ কবি সুকান্তের ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী

 

আজ বুধবার (১৩ মে) কবি সুকান্ত সুকান্ত ভট্টাচার্যের ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ১৯৪৭ সালের ১৩ মে কলকাতার যাদবপুর ১১৯ লাউডন স্ট্রিটের রেড এন্ড কিওর হোমে যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ২১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

ভারতে জন্ম গ্রহণ করলেও কবির পিতৃপুরুষের নিবাস গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের উনশিয়া গ্রামে। সুকান্তের পিতা নিবারণ ভট্রাচার্য্য কলিকাতার কলেজ স্ট্রিটে বইয়ের ব্যবসা করতেন। ব্যবসার সুবাদে কবির পরিবারকে কলকাতায় থাকতে হতো।

দীর্ঘদিন কবির পরিবার কলকাতায় অবস্থান করার কারণে তার পূর্বপুরুষের ভিটাটি বেদখল হয়ে যায়। দীর্ঘ ৫৯ বছর বেদখল থাকার পরে ২০০৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কবির বাড়ি দখলমুক্ত হয়। দখলমুক্ত হওয়ার পরে কবির পৈত্রিক ভিটাটি দীর্ঘদিন শূন্য অবস্থায় পড়েছিল। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরে জেলা পরিষদ কবির পৈত্রিক ভিটায় একটি অডিটরিয়াম ও লাইব্রেরি স্থাপন করেছে। এখানে কবির স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য প্রতি বছর মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে একটি মেলার আয়োজন করা হয়। কিন্তু কোনও বছরই বিশেষ কোনও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারি বা বেসরকারিভাবে কবির জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয় না। এ ব্যাপারে অনেকই হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

কবি সুকান্ত স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক অশোক কর্মকার বলেন, আগামী প্রজন্মের কাছে কবি সুকান্তকে তুলে ধরতে হলে সরকারি ও বেসরকারিভাবে কবির জন্ম এবং মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা উচিত। শুধু বাৎসরিক একটি মেলা করে বাঙ্গালি জাতির কাছে কবি সুকান্তকে তুলে ধরা সম্ভব নয়। কবি সুকান্তকে বাঙ্গালি জাতির কাছে তুলে ধরতে হলে সরকারিভাবে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

কবি সুকান্ত স্মৃতি সংসদের সভাপতি আয়নাল হোসেন শেখ বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে আমরা এ বছর বড় পরিসরে কবি সুকান্তের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করতে পারবো না। তবে আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবো।

কবি সুকান্ত ভট্টচার্য্য ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতার কালীঘাটের মহিমা হালদার স্ট্রিটে মামা বাড়িতে জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবার নাম নিবারন ভট্রাচার্য্য। মাতা সুনীতি দেবী।

ছাড়পত্র, ঘুম নেই, পূর্বাভাস, অভিযান, হরতাল তার উল্লেখ্যযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। কবির প্রতিটি কবিতায় অনাচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ধ্বনিত হয়েছে।

লাইট নিউজ