বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

হাতের নখের যত্নে ঘরোয়া তিন পদ্ধতি

 

রমজানে নানান আয়োজনে কাজের চাপ থাকে তুলনামূলক বেশি। এছাড়া করোনা পরিস্থিতিতে কাজে সাহায্যকারীদের ছুটি দিয়ে দেওয়ায় সকল কাজের চাপ একসাথে বহন করতে হচ্ছে। থালাবাসন ধোয়া, ঘর মোছা, জামাকাপড় ধোয়াসহ অন্যান্য সকল কাজে হাতের উপর ধকল যায়, যার ফলে নখ হয়ে যায় দুর্বল ও নিস্প্রভ। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য হাতের কাছে থাকা উপকারী কয়েকটি উপাদানেই নিতে হবে নখের যত্ন।

লেবুর রস ও বেকিং সোডা
লেবুর রসের প্রাকৃতিক অ্যান্টিফাংগাল উপাদান নখকে ভেতর থেকে ভালো রাখবে। এছাড়া এতে থাকা ভিটামিন-সি নখের কোলাজেন তৈরির হার বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। অন্যদিকে বেকিং সোডার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ধর্ম নখের সমস্যা কমাতে কাজ করে।

ব্যবহারের জন্য ১/৪ কাপ লেবুর রস, ১/৪ কাপ উষ্ণ পানি ও ২ চা চামচ বেকিং সোডা প্রয়োজন হবে। এই সকল উপাদান একসাথে মিশিয়ে হাতের নখ মিশ্রণে ডুবিয়ে রাখতে হবে ২০ মিনিটের জন্য। এরপর মিশ্রণ থেকে নখ তুলে ব্রাশের সাহায্যে আলতোভাবে ম্যাসাজ করে ঠান্ডা পানিতে নখ ধুয়ে নিতে হবে।

চিনি, নারিকেল তেল ও লেবুর রস
অ্যান্টিফাংগাল উপাদান সমৃদ্ধ লেবুর রসের সাথে নারিকেল তেলের ব্যবহারে নখ তার কোমলতা ফিরে পায় এবং নখ ভেঙে যাওয়ার সমস্যাটি প্রতিরোধ করে। ব্যবহারের জন্য অর্ধেক লেবুর রস, দুই টেবিল চামচ চিনি, দুই চা চামচ নারিকেল তেল ও দুই কাপ পরিমাণ পানি প্রয়োজন হবে। সকল উপাদান একসাথে মিশিয়ে এতে দুই হাতের নখ ১৫-৩০ মিনিটের জন্য ডুবিয়ে রাখতে হবে। এতে থাকা চিনির সাহায্যে মাঝে মাঝে আলতোভাবে আঙুলের সাহায্যে নখে ম্যাসাজ করতে হবে এ সময়ে। সময় হয়ে গেলে মিশ্রণ থেকে নখ তুলে পানিতে ধুয়ে নিতে হবে।

নারিকেল তেল, মধু ও এসেনশিয়াল অয়েল
মধু ও অন্যান্য এসেনশিয়াল অয়েলের মিশ্রণ নখকে সম্পূর্ণভাবে অ্যান্টিফাংগাল ট্রিটমেন্ট দিবে এবং নখের নিচের ও আশেপাশে অংশের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করবে। ফলে নখ উজ্জ্বল দেখাবে। ব্যবহারের জন্য আধা কাপ নারিকেল তেল, ১/৩ কাপ আমন্ড অয়েল, এক টেবিল চামচ মধু, ৪-৫ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল ও একটি বড় পাত্র প্রয়োজন হবে। পাত্রে সকল উপাদান একসাথে মিশিয়ে এতে নখ ডুবিয়ে আলতোভাবে আঙুলের সাহায্যে ম্যাসাজ করতে হবে। এভাবে অন্তত ২০ মিনিট ম্যাসাজ শেষে নখ ধুয়ে নিতে হবে।

লাইট নিউজ