বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

অভিযোগ নিয়েই সীমিত পরিসরে চলছে চাঁদপুর-ঢাকার লঞ্চ

দুই মাসের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর করোনার ঝুঁকি নিয়েই আজ থেকে সীমিত আকারে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। প্রথম দিনই লঞ্চগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যায়।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দীর্ঘ দুই মাস বন্ধ থাকার পর আজ রোববার চাঁদপুর থেকে সারা দেশে লঞ্চ চলাচল সীমিত পরিসরে শুরু হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টায় চাঁদপুর লঞ্চঘাট থেকে এমভি সোনার তরী নামে যাত্রীবাহী লঞ্চ রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সকাল সাড়ে ৯টায় ছেড়ে যায় রফরফ। দুপুরেও কয়েকটি লঞ্চ যাত্রার প্রস্ততি নিয়েছে। তবে যাত্রীর চাপ ছিল কম।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সামাজিক দূরত্ব বজায়ে রাখার পাশাপাশি যাত্রীদের মুখে মাস্ক পরে থাকতে হবে। কিন্তু যাত্রীরা তা মানছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। তা ছাড়া লঞ্চ কর্তৃপক্ষও পর্যাপ্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা জীবাণুনাশক ছিটানোর ব্যবস্থা করতে পারেনি বলে অভিযোগ আছে। এমন অবস্থায় ঝুঁকি নিয়েই চলাচল শুরু হলো লঞ্চের।

লঞ্চঘাটে সুপার ভাইজার আলী আজগর বলেন, ‘আমরা সীমিত আকারে ঢাকাগামী লঞ্চ যাত্রা শুরু করেছি। কিন্তু যাত্রী আগের চেয়ে কম।’ তাঁর অভিযোগ, লঞ্চ কর্তৃপক্ষ সরকারি নির্দেশনা মানলেও যাত্রীরা কোনো নিয়ম মানছেন না।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) চাঁদপুরের উপপরিচালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘যাত্রীরা যাতে সরকারি নির্দেশনা মানেন, সে জন্য আমরা নিজেরা উপস্থিত থেকে বিষয়টি তদারকি করছি। দুপুর ১২টায় ঢাকাগামী রফরফ-২ লঞ্চটির ভেতর অনিয়ম হওয়ায় সেটি আমরা আটকে রেখেছি।’

বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর থেকে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন নৌরুটে প্রতিদিন অর্ধশত লঞ্চ চলাচল করে। নিরাপদ, আরামদায়ক ও সাশ্রয়ী হওয়ায় নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, শরীয়তপুর জেলার অনেকে লঞ্চে করে চাঁদপুর হয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে থাকেন। গত ২৫ মার্চ থেকে লকডাউনের ফলে ঢাকাসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর সঙ্গে চাঁদপুরের লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।