বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

আরো তিন-চার বছর অপেক্ষা করবেন আশরাফুল

 

ক্যারিয়ারের উদয় লগ্নে সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে শ্রীলংকার বিপক্ষে শতক হাঁকান। খুব দ্রুত নিজের নামের পাশে জুড়ে গিয়েছিল তারকার তকমা। গড়-পড়তার পারফরম্যান্সে খেলেছেন মনে রাখার মতো কিছু ইনিংস। বলছিলাম বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রথম তারকা মোহাম্মদ আশরাফুলের কথা। কার্ডিফে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়া বধের নায়ক ছিলেন তিনিই। ওয়েস্ট-ইন্ডিজ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানোর দিনেও ব্যাট হাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই ব্যাটসম্যান। এছাড়াও দলে আরো কিছু স্মরণীয় সময় কেটেছে তার।

কিন্তু শুরুর ভালোটা ধরে রাখতে পারেননি আশরাফুল। বিপিএল সিজন টুতে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য নিষিদ্ধ হন। এরপর থেকে দলের বাইরে। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দুই বছর আগে মাঠে ফিরেছেন। কিন্তু জাতীয় দলের হারানো জায়গাটা এখনও পুনরুদ্ধার করা যায়নি। তবে হাল ছাড়ছেন না তিনি। বয়স ৩৬ এর কোটায়। তবুও দমে যাবার পাত্র নয় এই ক্রিকেটার। জানালেন জাতীয় দলে খেলার জন্য অপেক্ষায় থাকবেন আরো কয়টা বছর। এক সাক্ষাৎকারে এসব নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

পাকিস্তানি অলরাউন্ডার শোয়েব মালিকের উদাহরণ টেনে অ্যাশ বলেন- শোয়েব মালিকের কথা যদি ধরেন, ১৯৯৯ সালে ডেব্যু হয়েছিল।এখনো খেলছে। তার সাঙ্গের অনেকেই কোচ-নির্বাচক হয়ে গিয়েছে। যেহেতু আমি খুব অল্প বয়সে ১৭ বছরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু করেছি আর যেহেতু আমি ব্যাটসম্যান আরও তিন-চার বছর অপেক্ষা করব জাতীয় দলে ফিরতে।

দলে ফিরতে টেস্ট ক্রিকেটেই চোখ সাবেক অধিনায়কের। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রান পেলে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে বলেও বিশ্বাস করেন তিনি। আশরাফুল বলেন- যেহেতু বয়স ৩৫ পেরিয়ে গেছে লংগার ভার্সন ক্রিকেটই বেশি সম্ভাবনা। যদি আমি ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ভালো খেলতে পারি, যদি প্রচুর রান করতে পারি তখন হয়ত টেস্ট ক্রিকেট দিয়েই ফেরার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

তবে দলে ফিরতে ফিটনেসের বিকল্প নেই। আর সেটা ঠিক থাকলে চেষ্টার কোন ত্রুটি রাখবেন না দীর্ঘদিন দলের বাইরে থাকা এ ক্রিকেটার, ‘ফিটনেস ঠিক থাকলে আরও ৩-৪ বছর চেষ্টা করব। যেহেতু আমি ব্যাটসম্যান আর বিশ্ব ক্রিকেটের সবাইকে তো দেখছি, চল্লিশের পরও অনেকেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছে।’