বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

ঘুমপাড়ানি ম্যাচই খেলল মেসির বার্সেলোনা

 

ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে ঘুমপাড়ানি একটা ম্যাচই খেলল বার্সেলোনা; লেগানেসকে হারাল ২-০ গোলে। তবু বার্সার কাছে এই জয়টা গুরুত্বপূর্ণ। সম্ভাব্য কয়েকটি কারণ আছে। প্রথমত, দুইয়ে থাকা রিয়াল মাদ্রিদকে চাপে রাখা গেল। দ্বিতীয়ত, তরুণ প্রতিভা আনসু ফাতিকে বিক্রি না করার সিদ্ধান্তটা যে সঠিক ছিল সেটা কিছুটা হলেও বোঝা গেল। তৃতীয়ত, গোল পেয়েছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি-ও।

মঙ্গলবার রাতে দুই অর্ধের দুই গোলেই লেগানেসকে হারিয়েছে কিকে সেতিয়েনের দল। প্রথম গোলটা বার্সা পেয়েছে বিরতির মিনিট তিনেক আগে। গোল করেন ফাতি। এই গোলের সুবাদেই লা লিগার ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে পাঁচটি গোল করলেন ফাতি (১৭৭ বছর ২২৯ দিন)। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে লিগ স্থগিত না থাকলে হয়তো সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হতে পারতেন তিনি। কারণ সর্বকনিষ্ঠ যিনি সেই বোহান কার্কিক তার চেয়ে মাত্র ২৮ দিন ছোট!

৬৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মেসি। লেগানেসের বিপদসীমায় রুবেন পেরেজ তাকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় বার্সা। স্পট কিক থেকে পেশাদার ক্যারিয়ারের ৬৯৯তম গোলটি পেয়েছেন মেসি। বার্সার হয়ে মোট ৬২৯টি গোল হলো ছয়বারের বর্ষসেরা ফুটবলারের। বাকি ৭০টি গোল জাতীয় দল আর্জেন্টিনার জার্সিতে করেছেন মেসি। স্বপ্নের মাইলফলকে পৌঁছাতে মাত্র একটি গোল দরকার তার। কয়েক মাস আগে মেসির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো সাতশ’ গোলের গণ্ডি ছুঁয়েছেন। এবার মেসির অপেক্ষা।

মেসির মাইলফলকের হাতছানি অনেকটা আড়াল করে দিচ্ছে বার্সা-লেগানেস ম্যাচের চিত্র। ম্যাচটা কতটা বিরক্তিকর ছিল তা বোঝাতে একটি তথ্যই যথেষ্ঠ। পুরো ম্যাচে ৭৫ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখে খেলেছে বার্সেলোনা। সেই হিসেবে পুঁচকে লেগানেসকে গোলের মালা পড়ানোর কথা ছিল তাদের। সেটা আর হলো কই। বরং প্রথম গোলের জন্যই তো কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাদের; অপেক্ষা করতে হয়েছে ৪২ মিনিট পর্যন্ত।

দল জিতেতে পেরেছে এটা ভেবেই খুশি বার্সা কোচ এতিয়েন। লিগে এনিয়ে টানা ১৯ ম্যাচে জিতল কাতালান ক্লাবটি। ২৯ ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট বার্সার। এক ম্যাচ কম খেলে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। বার্সার সমান ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে সেভিয়া। চার ও পাঁচে থাকা রিয়াল সোসিয়েদাদ ও গেটাফের অর্জন সমান ৪৭ পয়েন্ট। প্রথম দলটি অবশ্য এক ম্যাচ কম খেলেছে।