বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

ইথিওপিয়ায় চলমান সহিংসতার সাময়িক অবসান চায় জাতিসংঘ

ডেস্ক রিপোর্ট : ইথিওপিয়ার চলমান সহিংসতার সাময়িক অবসানের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় টাইগ্রে এলাকায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাতে আক্রান্তদের কাছে ত্রাণ পৌঁছাতে জাতিসংঘ একটি মানবিক করিডোর স্থাপন করতে চায়।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

স্বাধীনতাকামী অঞ্চল টাইগ্রেতে শান্তি ফেরাতে তেমন পদক্ষেপ নেননি ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ। উল্টো ব্যাপক রাজনৈতিক সংস্কারের নামে টাইগ্রেয়ানদের কোণঠাসা করে ফেলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা বলছে, টাইগ্রে অঞ্চলে সংঘাত অব্যাহত থাকলে আগামী ছয় মাসে দুই লাখ পর্যন্ত শরণার্থী সুদানে আশ্রয় নিতে পারে। সে লক্ষ্যে প্রস্তুতি শুরুর কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা গেলে এসব মানুষের কাছে জরুরি মানবিক ত্রাণ পৌঁছানো সম্ভব হবে মনে করছে ত্রাণ সংস্থাগুলো।

তবে টাইগ্রে অঞ্চলের সংকট সমাধানে এখন পর্যন্ত আলোচনার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে আসছে ইথিওপিয়ার সরকার। দুই দফায় দেশের জাতীয় নির্বাচন স্থগিত করে দেওয়ায় তাকে আর বৈধ প্রেসিডেন্ট বলে স্বীকার করছে না টাইগ্রে অঞ্চলে লড়াইরত টিপিএলএফ বাহিনী। তবে প্রধানমন্ত্রীর দাবি করোনা মহামারির কারণে সর্বশেষ গত জুনে নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

টাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট পার্টির (টিপিএলএফ) সঙ্গে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধ চরম আকার ধারণ করে শুরু হয়েছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। এরইমধ্যে এ সংঘাতে কয়েক শ’ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

জেনেভায় দেয়া এক বিবৃতিতে মুখপাত্র বাবর বেলোচ ওই এলাকার মানুষদের সহায়তায় তহবিল গঠনের কথা জানান। এতে প্রায় ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ প্রয়োজন। এই অর্থ সহিংসতা চলমান এলাকার মানুষের খাদ্য, বাসস্থান এবং জরুরি প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কিনতে ব্যয় করা হবে।

এই অর্থ সুদানে পাঠানো হবে কারণ ইউএনএইচসিআর ধারণা করছে আগামী ৬ মাসে অন্তত ২ লাখ ইথিওপিয়ান সুদানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হবে।

ইতোমধ্যে প্রতিবেশী দেশ সুদানে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার শরণার্থী।

লাইট নিউজ