বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

গত বছর বিশ্বে ঋণ ছিল ২৮১ ট্রিলিয়ন ডলার, এবছর আরো বাড়বে

শুধু কোভিড মহামারীর কারণে বিশে^ ঋণের পরিমান গত বছর বৃদ্ধি পেয়েছে ২৪ ট্রিলিয়ন ডলার। ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স বলছে ঋণের অর্ধেক বৃদ্ধির কারণ হচ্ছে বিভিন্ন দেশের সরকারের ব্যয়। কারণ কোভিড মোকাবেলায় বিভিন্ন দেশের সরকারকে অতিরিক্ত ব্যয় বা বিশেষ সহায়তা প্যাকেজ দিতে হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন দেশের কর্পেরেশনগুলোর কারণে ৫.৪, ব্যাংক ৩.৯ ও গৃহস্থালী পর্যায়ে ঋণের পরিমান দাঁড়িয়েছে ২.৬ ট্রিলিয়ন ডলার। আরটি

বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৫ থেকে ৩৫৫ শতাংশ। ঋণের পরিমান এতই বেড়েছে যা বিশ্ব অর্থনীতির সংকটের চেয়ে তা বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০০৮ ও ২০০৯ সালে বিশ্বমন্দার চেয়ে এবারের ঋণ বৃদ্ধি যথাক্রমে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বেশি। অনেক দেশে সুদের হার হ্রাস করার পর এখন ঋণ পরিস্থিতি বরং কোভিড পূর্ব অবস্থার চেয়ে ভাল হিসেবে বিরাজ করছে। ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স বলছে এবছর বিশ^ অর্থনীতিতে ঋণ আরো ১০ ট্রিলিয়ন বাড়বে এবং তা ৯২ ট্রিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে। যা মোকাবেলা করা আগের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জ হয়ে পড়েছে। ইনস্টিটিউটের তরফ থেকে আরো বলা হচ্ছে রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপ বিভিন্ন দেশের সরকারকে সীমিত ক্ষমতার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। ঘাটতি ও ঋণ হ্রাস সরকারগুলোর ভবিষ্যত সংকট মোকাবেলার সঙ্গে নতুন হিসেবে যোগ হয়েছে। একই সঙ্গে অর্থনীতি কার্যকর পুনরুদ্ধার না হলে যে স্বাভাবিক মূলধনের অভাব দেখা দিয়েছে তার সঙ্গে আবহাওয়া পরিবর্তনের মত বড় ধরনের হুমকিও যোগ করছে।

বিশেষ করে ইউরোপের দেশগুলোতে ঋণ বাড়ছে অত্যধিক হারে। ফ্রান্স, স্পেন ও গ্রিসের মত দেশগুলোতে এধরনর আর্থিক নয় এমন খাতে ঋণ ও জিডিপির তুলনামূলক অনুপাত ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়িয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে কোভিড মহামারী বিলিয়নের বেশি মানুষকে দারিদ্র সীমার নিচে ঠেলে দেওয়ায় তাদের সঞ্চয় পুঁজি হয়ে ওঠার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। উঠতি বাজারগুলোর দেশ যেমন চীনে এধরনের ঋণ বাড়ছে যা তুরস্ক, দক্ষিণ কোরিয়া ও আমিরাতের মত দেশগুলোকেও ছাড়েনি। দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারতে রেকর্ড পরিমাণ ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বিভিন্ন সরকারের সমর্থন প্রত্যাহার, এর ফলে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ব্যাপক হারে এবং তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দেউলিয়াত্ব।