বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

ঢাকায় গিয়ে পরীক্ষা দেয়া হলো না ডাক্তার দম্পতির

ঢাকা সিলেট মহাসড়কে দুর্ঘটনায় তছনছ হয়ে গেলো সিলেটের একটি চিকিৎসক পরিবার। পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন ডা. ইমরান খান রুমেল। স্ত্রী ডা. অন্তরা আক্তারও গুরুতর আহত। অবশ্য বাবা মায়ের সাথে না থাকায় বেঁচে গেছে তাদের দুই শিশু এনায়া ও ইন্তেজা।

বিসিএস প্রিলি পরীক্ষা দিতে সিলেট থেকে এনা পরিবহনের একটি বাসে ঢাকা যাচ্ছিলেন ডা. ইমরান ও ডা. অন্তরা দম্পতি। শুক্রবার ভোরে ঢাকা সিলেট মহাসড়কর রশিদপুরে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৭ জন যাত্রীর মধ্যে রয়েছেন ডা. ইমরান। স্ত্রী ডা. অন্তরার অবস্থাও আশংকাজনক। তিনি হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

সিলেট নগরীর ফাজিলচিশ্ত এলাকার বাসিন্দা প্রখ্যাত প্যাথলজিস্ট অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন। তাঁর এক ছেলে রুমেল ও এক মেয়ে নূরী ছিলেন। দুই সন্তানই ডাক্তার। তাদের একমাত্র ছেলে ছিলেন ডা. রুমেল শুক্রবার সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। পুত্র শোকে কাতর বাবা আমজাদ হোসেন এখন ব্যস্ত পুত্রবধূ ডা. অন্তরাকে কিভাবে বাঁচানো যায় সেই চেষ্টায়। দুর্ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালে অবস্থান করছেন।

স্বজনরা জানান, ডাক্তার রুমেল দম্পতি সবসময় হাসিখুশি থাকতেন। রুমেল জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১২ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বর্তমানে সিলেট নগরীর উইমেন্স মেডিকেল কলেজে কর্মরত ছিলেন। তাদের দুই কন্যা শিশু রয়েছে। পরিবারের ৬ সদস্যের মধ্যে ৫ জন ডাক্তার। ডা. রুমেল এর মৃত্যুর খবরে সকাল থেকে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুত্র শোকে মা বারবার মুর্ছা যাচ্ছেন। রুমেল দম্পতির দুই শিশু কন্যা তাদের নানির কাছে রয়েছে।

লাইটনিউজ