বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

পুকুরে চুন ও লবন প্রয়োগের সঠিক নিয়ম

ডেস্ক রিপোর্ট : পুকুরে চুন ও লবন প্রয়োগের সঠিক নিয়ম আমাদের সকলেরই জেনে রাখা দরকার। মাছ চাষের পুকুরে চুন ও লবন প্রয়োগ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মাছ চাষে মাছের যত্নে পুকুরে সঠিক সময়ে পরিমাণমতো চুন ও লবন প্রয়োগের প্রয়োজন পড়ে। আজকে চলুন জেনে নেই পুকুরে চুন ও লবন প্রয়োগের সঠিক নিয়ম সম্পর্কে-

পুকুরে চুন ও লবন প্রয়োগের সঠিক নিয়ম :

মাছের চাষে চুন ও লবন প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হল-

চুন পুকুরের বিভিন্ন প্রয়োজন মেটাতে থাকে এবং ব্যয় হতে থাকে তাছাড়াও মাছের হাড় গঠনের কাজে চুনের ব্যবহার বেশ অনেক মাত্রায় হয়ে থাকে জন্যেই চুন ফুরিয়ে যায়। মাছ যথেষ্ট ঘন থাকলেও এর মল-মূত্র শোধনেও চুনের একটা অংশ ব্যয় হয়। মাছ যতই আহরণ করা হবে চুন ততই ব্যয় হতেই থাকবে। তাই মাছকে নির্বিঘ্ন রাখার জন্য চুন ব্যবহার অত্যাবশ্যকীয়।

আর চুন খরচ না হলেও ক্ষতি নাই, কারণ চুন পানিতে ভেজানো অবস্থায় থাকলে দেখা গেছে ১৫ বৎসর পর্যন্ত কার্যকরী থাকে। গবেষণাটি রাশিয়ায় চালানো হয়েছিল, অবশ্য ওনারা ঐ গবেষণাটি এর পর আর কন্টিনিউ করেননি। চুন ব্যবহার না হলে ব্যাংকে জমিয়ে রাখা টাকার মতই থেকে যাবে।

তাই পুকুর প্রস্তুতির সময় শতকে ১-২ কেজি হিসাবে এবংপরিচর্যাকালীন সময়ে ২০ দিন অন্তর অন্তর ১৫০-২০০গ্রাম করে পোড়া চুন (CaO) ভিজিয়ে ভাল করে ঘেটে আরো পানি দিয়ে পাতলা করে পুকুরে ছিটিয়ে দিন।

লবন :

আর লবন থেকে প্রাপ্ত “ইলেক্ট্রোলাইট” মাছের দেহে সঞ্চারিত হয়ে মাছে কর্মক্ষম রাখে। তাই মাছের যে কোন– পরিবেশগত চাপের কারনে সৃষ্ট অবসাদ, খাদ্য গ্রহনে অনীহা, এ্যামোনিয়া জনিত বিষাক্ততা, এই সমস্ত অবস্থায় মাছকে স্বাভাবিক রাখার ব্যাপারে সহায়তা করে। লবনও ক্ষয় হয়ে যায়, অতএব লবন জমা হয়ে কোন প্রকার ক্ষতি হবারও সম্ভাবনা নাই।

তাই প্রতি মাসে কিংবা ২০-২৫ দিন অন্তর প্রায় ১৫০-২০০ গ্রাম লবন প্রয়োগ করুন। আপনারা নিশ্চিন্তে পরিমান মাফিক চুন ও লবন ব্যবহার করতে পারেন। চুন এবং লবন ব্যবহারের কোন গ্যাপের যৌক্তিকতা নেই।