বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

জার্মানিতে ইসরায়েলবিরোধী সমাবেশে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো জার্মানিতেও ইসরায়েলের আগ্রাসনবিরোধী সমাবেশে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন পুলিশসহ বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনের নিরস্ত্র সাধারণ জনগণের ওপর ইসরায়েলের নগ্ন হামলার প্রতিবাদে শনিবার দিনভর জার্মানির রাজধানী বার্লিনেও জড়ো হন কয়েক হাজার মানুষ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে কয়েক দফা পাথর ও বোতলে নিক্ষেপে সমাবেশটি পরিণত হয় অশান্তিতে। শুরু হয় দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। এ সময় পুলিশ সদস্যসহ আহত হন বেশ কয়েকজন।

একপর্যায়ে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে রাস্তা দখল করে বিক্ষোভ বড় হতে থাকে। এ সময় ইসরায়েলিদের বর্বর হামলায় ফিলিস্তিনের অসহায় সাধারণ নাগরিকদের হত্যা ও নির্যাতন অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানান বিক্ষোভকারীরা।

বিক্ষোভে আসা এক নারী বলেন, ফিলিস্তিনের পক্ষে সংহতি জানাতেই আমরা আজ এই সমাবেশে একত্রিত হয়েছি। দেখুন না রমজান মাসের মাঝামাঝি থেকে ইসরায়েল যেভাবে ফিলিস্তিনের সাধারণ মানুষকে মারছে তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এটা আর মেনে নেয়া যায় না। জানি না গাজায় আমাদের আত্মীয়স্বজনরা কত কষ্টে আছে। বেঁচে আছে কিনা তাও জানি না।

সমাবেশের একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা ইসরায়েল এখনি হামলা বন্ধ না করলে রাজপথ ছেড়ে না যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

সমাবেশে আসা এক ব্যক্তি বলেন, দেখুন এটা কি মেনে নেয়া যায়, বর্বর ইসরায়েলি সরকার গত ৭ দিনে এখন পর্যন্ত ১৫৮ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছেন, তার মধ্যে নারী ও শিশুরাও আছে। তারা ক্ষমার অযোগ্য। ইসরায়েলের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব আমরা।

ফিলিস্তিনের জনগণের জন্য আমরা আজ সংহতি প্রকাশ করছি। সমাবেশে আসা এক বাংলাদেশি বলেন, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা চাই।

এদিকে সমাবেশে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে জার্মানির রাজনীতিবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা মনে করছেন দু’দেশের মধ্যে শিগগিরই আলোচনায় না বসলে দু’দেশের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। আর তাতে মরবে শুধু নিরস্ত্র অসহায় সাধারণ মানুষ। তাই হামাস ইসরায়েলি বাহিনীকে অবিলম্বে অস্ত্রবিরতির আহ্বান জানানো হয়।

লাইটনিউজ/এসআই