বাংলা ও বিশ্বের সকল খবর এখানে
শিরোনাম

নতুন শিল্প নীতি ভিয়েতনামের আদলে করার পরামর্শ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার : নতুন শীল্প নীতি ২০২১ তৈরিতে ভিয়েতনামের শিল্প নীতি অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) ডিসিসিআই আয়োজিত ‘প্রস্তাবিত জাতীয় শিল্পনীতি: ব্যক্তিখাতের প্রত্যাশা’ শীর্ষক ওয়েবিনার এই মতামত দিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি রিজওয়ান রাহমান।

তিনি বলেন, ‘শিল্প নীতি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে আমরা ভিয়েতনামের শিল্প নীতি অনুসরণ করতে পারি। ২০০৬ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ভিয়েতনাম জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থার (সিআইপি) সূচকে ২৭ ধাপ উন্নতি করেছে, যা অন্যান্য দেশের থেকে অনেক ভালো।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (নীতি) মো. সলিম উল্লাহ। এছাড়া, বিশ্লেষক, গবেষেক ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

সূচনা বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘নতুন শিল্প নীতিতে সিএমএসএমই’কে বর্তমান সংজ্ঞায়নের কারণে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তাদের পণ্য সুবিধা ও ঋণ প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে, মাইক্রো, কটেজ, ছোট, মাঝারি ও বড় বিভিন্ন শিল্প বিভাগের সংজ্ঞা পরিবর্তন করা অত্যন্ত প্রয়োজন। একইসঙ্গে এলডিসি থেকে উত্তরণের পরে দ্বি বা বহুপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিগুলো অনেক অগ্রাধিকার পাবে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পারস্পারিক সহায়তা বাড়ানোর ব্যাপারে এখন থেকে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তাই আসন্ন জাতীয় শিলপনীতি-২০২১ এ বেসরকারি খাতে স্কিল ডেভেল্পমেন্ট ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।’

রিজওয়ান রাহমান আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘জাতীয় শিল্পনীতি-২০২১ প্রণয়নের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই শিল্পনীতিকে সময়োপয়োগী, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বাংলাদেশকে উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে আসন্ন শিল্পনীতিতে এলজিসি হতে উক্তরণ, মধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ, ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, করোনা মহামারির প্রভাব থেকে উত্তরণ ইত্যাদিসহ আরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে সেসব বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্তকরণ অত্যন্ত জরুরি।’