চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় নিজের মেয়ের ইটের আঘাতে এক কৃষক পিতা নিহত হয়েছেন। রোববার সকালে আলমডাঙ্গা উপজেলার বকশিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কৃষক ছানোয়ার হোসেন একই উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি গত কয়েক বছর ধরে আলমডাঙ্গার বকশিপুর গ্রামে ঘরজামাই হিসেবে শ্বশুরালয়ে ছিলেন।
এ ঘটনার পর অভিযুক্ত মেয়ে ববিতা খাতুনকে আটক করেছে পুলিশ।
এলাকা সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ৯টার দিকে কৃষক ছানোয়ার হোসেন (৬০) নাতি আকুল হোসেনের কাছে তার বাইসাইকেলটি চান বাইরে যাওয়ার জন্য। আকুল না দিতে চাইলে নানা-নাতির মধ্যে গণ্ডগোল হয়। একপর্যায়ে নানার হাতে থাকা হাঁসুয়ায় নাতি আকুল রক্তাক্ত হয়। এ সময় মেয়ে ববিতা খাতুন ছুটে এলে তাকেও হাঁসুয়া দিয়ে কোপ দিয়ে রক্তাক্ত করেন পিতা ছানোয়ার হোসেন।
পরে মেয়ে ববিতা ও নাতি আকুল হোসেন মিলে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে রক্তাক্ত জখম করে ছানোয়ার হোসেনের। রক্তাক্ত অবস্থায় ছানোয়ার হোসেনকে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ছানোয়ার হোসেন মারা যান।
এ ব্যাপারে আলমডাঙ্গা থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, ধস্তাধস্তির সময় পিতা ছানোয়ার হোসেনকে ধাক্কা দিলে তিনি ইটের ওপর পড়ে যান। এ সময় পাশে সাজিয়ে রাখা ইট তার মাথার ওপর পড়ে রক্তাক্ত জখম হন ছানোয়ার হোসেন। পরে কুষ্টিয়ায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মেয়ে ববিতা খাতুনকে দুপুরে গ্রেফতার করা হয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।