স্টাফ রিপোর্টার : রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ও তার পরিবারের ব্যাংক হিসাব খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
শিগগিরই তার ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দেবে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
সংস্থাটির প্রধান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মো. রাজি হাসান বুধবার (০৮ জুলাই) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সোমবার (৬ জুলাই) রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম।
অভিযানে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে।
এরপর মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় দণ্ডবিধি ৪০৬/৪১৭/৪৬৫/৪৬৮/৪৭১/২৬৯ ধারায় প্রতারণার অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে এক নম্বর আসামি করে ১৭ জনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়। আটজনকে আটক করা হয়েছে। সাহেদসহ নয়জন পলাতক।
ওইদিন রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক চুক্তি (এমওইউ) বাতিলসহ অবিলম্বে হাসপাতালটির সব কার্যক্রম বাতিল এবং সিলগালা করার নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
আবু হেনা মো. রাজি হাসান বলেন, এ ধরনের প্রতারণা ও মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত ঘটনা ঘটলে বিএফআইইউ ব্যবস্থা নেয়। এখানেও প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। ফলে আইন অনুযায়ী বিএফআইইউ’র ব্যবস্থা নেওয়ারও সুযোগ আছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিকের ব্যাংক হিসাবও আইন মেনে তলব করা হয়েছে। সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের নির্বাহী প্রধানদের কাছে এ বিষয়ে তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
লাইট নিউজ