ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর বৈশ্বিক বিমান খাতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের শীর্ষ ২০টি তালিকাভুক্ত এয়ারলাইন্স কোম্পানির বাজারমূল্য মিলিয়ে প্রায় ৫৩ বিলিয়ন ডলার কমে গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অনেক এয়ারলাইন্স তাদের বাণিজ্যিক ফ্লাইট কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। এতে যাত্রী পরিবহন ও আয় দুটিতেই বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।
এছাড়া, যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এর প্রভাব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের আকাশসীমা আংশিক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বড় বড় এয়ারলাইন্স তাদের ফ্লাইট সূচি কমাতে বাধ্য হয়েছে। এতে পর্যটন ও আন্তর্জাতিক যাত্রী চলাচলেও বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
সবচেয়ে বড় চাপ এসেছে জ্বালানি খাতে। জেট ফুয়েল, যা একটি এয়ারলাইন্সের মোট ব্যয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এতে ভবিষ্যতে বিমান ভাড়াও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে বিশ্বের শীর্ষ এয়ারলাইন্সগুলোর বাজারমূল্যও বড় ধাক্কা খেয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্য কমে গেছে বড় এয়ারলাইন্সগুলোর। বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়ায় অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দরও চাপে রয়েছে।