ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন বিমান বাহিনীর ব্যবহার করা যুক্তরাজ্যের একটি বিমান ঘাঁটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রোববার ভোরের দিকে ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পরে সেখানে ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট মোতায়েন করা হয়। রোববার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির খাবার ও সরঞ্জাম সরবরাহের দোকান হিসেবে পরিচিত একটি ভবন থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। ঘটনাস্থলের অন্যান্য ছবিতে দেখা গেছে, অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করার সময় ভবনটির ছাদ ধসে পড়েছে।
দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ বিমান বাহিনীর ঘাঁটিতে অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি এবং আরএএফের কোনও উড়োজাহাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। একটি পুরোনো ও পরিত্যক্ত ভবন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনায় মার্কিন বিমান বাহিনীর কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।
গ্লুচেস্টারশায়ার ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিসের একজন মুখপাত্র বলেছেন, আমরা ফেয়ারফোর্ড এলাকার একটি বাণিজ্যিক ভবনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি। আগুনের ধোঁয়ার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত মার্চ মাসে ব্রিটেনের সরকার উইল্টশায়ার সীমান্তের কাছের ওই সামরিক ঘাঁটিটি মার্কিন বিমান বাহিনীকে ব্যবহারের অনুমতি দেয়। ইরানের বিরুদ্ধে ‘প্রতিরক্ষামূলক’ অভিযান পরিচালনার জন্য মার্কিন বোমারু বিমান মোতায়েনে এই স্থাপনাটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ।