মাদককে দেশের যুবসমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির বলেছেন, ‘পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্য মাদক সেবন বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে আইজি’জ ব্যাজ, শিল্ড প্যারেড, অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও অপরাধ দমনে পুলিশের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত সদস্যরা তাদের সাহস, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে বাহিনীর ঐতিহ্য আরও সমৃদ্ধ করেছেন। তিনি পুলিশের সব সদস্যকে আরও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।’
অনুষ্ঠানে গত ১ মার্চ ২০২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত দৃষ্টান্তমূলক ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ৩৪১ পুলিশ সদস্যকে ‘পুলিশ ফোর্স এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ-২০২৫’ দেওয়া হয়। আইজিপি তাদের হাতে ব্যাজ তুলে দেন।
পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার ও মাদকবিরোধী অভিযানে সাফল্যের জন্য বিভিন্ন ইউনিটকে পুরস্কৃত করা হয়। অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে ‘ক’ গ্রুপে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ প্রথম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ দ্বিতীয় ও কুমিল্লা জেলা পুলিশ তৃতীয় হয়। ‘খ’ গ্রুপে কক্সবাজার জেলা পুলিশ প্রথম, কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ দ্বিতীয় ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ তৃতীয় স্থান অর্জন করে।
এ ছাড়া মাদক উদ্ধারে ‘ক’ গ্রুপে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ প্রথম, কুমিল্লা জেলা পুলিশ দ্বিতীয় ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ তৃতীয় হয়। ‘ঙ’ গ্রুপে ওয়ারী বিভাগ ডিএমপি প্রথম, তেজগাঁও বিভাগ দ্বিতীয় ও মতিঝিল বিভাগ তৃতীয় স্থান অর্জন করে।
শিল্ড প্যারেড প্রতিযোগিতায় যৌথ মেট্রোপলিটন দল প্রথম, এপিবিএন দল দ্বিতীয় এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ দল তৃতীয় হয়।