আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন ২৫টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট অনুমোদন দিলেও রাজধানীর মোড়ে মোড়ে স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ হাট।
নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে সড়ক, খালি মাঠ ও আবাসিক এলাকায় বাঁশের খুঁটি গেড়ে বসা এসব অনুমোদনহীন হাটের কারণে কোথাও কোথাও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে।
তবে দুই সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়েছে, ইজারা বহির্ভূত কোনো স্থানে হাট বসতে দেওয়া হবে না এবং অবৈধ হাট উচ্ছেদে ইতোমধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে।
এসব অবৈধ হাটের মধ্যে রয়েছে- লালবাগের শহীদনগর এলাকার হাট, চন্দ্রিমা মডেল টাউন, নবোদয়, মোহাম্মদিয়া হাউজিং সোসাইটি, সাত মসজিদ হাউজিং জনতার বাজার, মিরপুর ৬০ ফিট মধ্য পীরবাগে জিয়া হায়দার সরণিতে রাস্তার ওপরের হাট, নটর ডেম কলেজের বিপরীত অংশের হাট, সূচনা কমিউনিটি সেন্টারের পাশের ছাগলের হাট, মোহাম্মদপুরের সোনালী মাঠ ও আগারগাঁও এলাকার মাঠসহ নামে-বেনামে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বসানো এমন অসংখ্য অবৈধ হাট।
সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত হাটের তালিকায় এসবের নাম না থাকলেও সেখানে আগেভাগে প্রচার-প্রচারণা, লিফলেট বিতরণ এবং মাঠ পর্যায়ে বাঁশের খুঁটি বসিয়ে অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। কিছু কিছু স্থানে ইতোমধ্যে গরু আনাও হয়েছে এবং কোরবানি হাট হিসেবে এসব অনুমোদনহীন অবৈধ হাট থেকে প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।
এমন বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সম্পত্তি বিভাগের কর্মকর্তা জাহেদুল ইসলাম বলেন, সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন ছাড়া আমরা কোথাও অবৈধ হাট বসাতে দেব না। আমাদের টিম কাজ করছে, কোথাও অভিযোগ পেলেই আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
তিনি বলেন, আগারগাঁওয়ে এমন একটি অবৈধ হাটের অভিযোগ পাওয়ার পর অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। অবৈধভাবে গড়ে ওঠা সেই হাট উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং হাট বসানোর সঙ্গে জড়িত তিনজনকে জরিমানা করা হয়েছে।